দাড়িভিট-কাণ্ডে ছাত্র-হত্যায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
দাড়িভিটকাণ্ডে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে জবাব তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়।
দাড়িভিটকাণ্ডে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে জবাব তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় আদালতের শরণাপন্ন হন মৃত ছাত্রের পরিবার। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই রিপোর্ট তলব। এই ঘটনায় আরএসএস ও বিজেপিকে সরাসরি দায়ী করে শাসকদল তৃণমূল। তার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে মামলা করে আরএসএসও।

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দাড়িভিট স্কুলকাণ্ডে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে জবাব তলব করে। দু-সপ্তাহের মধ্যে তা পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা জানতে চায় এই ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কী ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা এই ঘটনাকে কীভাবে ব্যাখ্যা করছে, তাও জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন এদিন থেকেই দাড়িভিট স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।
ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগ বিতর্কে ২০ আগস্ট দুই ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছিল। তারপর থেকেই দাড়িভিট অশান্ত, স্কুলের পঠন-পাঠন বন্ধ। সিবিআই তদন্তের দাবিতে স্কুলের সামনে ধরনায় বসেছেন নিহত ছাত্রদের পরিবারের সদস্যরা। ফলে স্কুলে গিয়েও ফিরে আসতে হচ্ছে পড়ুয়া-শিক্ষকদের।
এই পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশ্ন উঠে পড়ে স্কুল খুলতে প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা কী? দুই শিক্ষককে শোকজ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সন্তোষজনক উত্তর দেওয়ার পর তাঁদের স্বপদে বহাল করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করবে শিক্ষা দফতর। স্কুল পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে স্কুলে।
উল্লেখ্য, অঙ্ক ও বিজ্ঞানের শিক্ষকের বদলে স্কুলে উর্দু ও সংস্কৃত শিক্ষক নিয়োগ নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত। তারপর ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। সিআইডি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিহদ দুই ছাত্রের পরিবার সেই তদন্তে সন্তুষ্ট নয়, তারা সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব। তার ফলেই এখন ব্যহত হচ্ছে স্কুলের পঠন-পাঠন ও শিক্ষণ প্রক্রিয়া।












Click it and Unblock the Notifications