ঘোড়ার চোখে ঠুলি পরানোর চেষ্টা, নির্বাচন কমিশনের সমালোচনায় হাইকোর্ট
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় চরম অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের বেঞ্চের রায়ই তা স্পষ্ট করে দিল।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় চরম অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের বেঞ্চের রায়ই তা স্পষ্ট করে দিল। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার নির্বাচন কমিশনারের সমালোচনায় বলেন, ডিভিশন বেঞ্চে নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্ট না দিয়েই আগেভাগে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেওয়া হল। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচন কমিশনার কি ঘোড়ার চোখে ঠুলি পরানোর চেষ্টা করছে না?

বিচারপতি বলেন, নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করছে কোর্টকে বাধ্য করতে। যাতে হাইকোর্ট ১৪ মে ঘোষিত দিনটিতেই ভোটে সায় দেয়। তিনি বলেন, আদালত মনে করছে ১৪ মে প্রস্তাবিত দিন। কখনই ১৪ মে চূড়ান্ত দিন হতে পারে না। ১৪ মে প্রস্তাবিত দিন ধরে নিয়েই ভোটের চূড়ান্ত দিনের বিষয়টি প্রধান বিচারপতি বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের বেঞ্চ।
এদিন হাইকোর্টের ঘোষণায়, পঞ্চায়েত ভোট ফের অনিশ্চিত হয়ে গেল। এখন রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের চূড়ান্ত দিন স্থির করবেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ১৪ মে ভোটের দিনকে কার্যত স্থগিত করে দেন। বাহিনী-বিতর্ক নিয়ে ৪ মে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের পর চূড়ান্ত দিন স্থির হবে।
ওইদিনই প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখবে। সেইমতোই সিদ্ধান্ত নেবেন ১৪ মে ভোটগ্রহণ করা সম্ভব কি না। তখনই ওই দিনটি চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। অন্যথায় প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেবেন পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ নিয়ে। ওইদিন নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান পেশ করতে হবে কমিশন ও রাজ্যকে। সেই রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির হবে।
হাইকোর্ট এদিন বুঝিয়ে দেয়, তারা নির্বাচন কমিশনের উপর পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছিল। তারা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে সঠিক পথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে কি না, তা নজরে রেখেই এদিন বিচারপতি কড়া অনুশাসনে বাঁধলেন নির্বাচন কমিশনকে। এবং সেইসঙ্গে পঞ্চায়েতের ভবিষ্যৎ ফের গড়াল আইনের দরজায়। আইনের আদালতেই এ ব্যাপারে চূড়া্ন্ত সিদ্ধান্ত হবে। অপেক্ষা আবার ৪ মে পর্যন্ত।












Click it and Unblock the Notifications