সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত চলবে তাপপ্রবাহ, কেন এপ্রিলেই এই দহন জ্বালা কলকাতার? কী বলছেন আবহাওয়াবিদরা
সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত চলবে তাপপ্রবাহ, কেন এপ্রিলেই এই দহন জ্বালা কলকাতার? কী বলছেন আবহাওয়াবিদরা
শহরের তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে এক ধাক্কায় ৪ ডিগ্রি বেড়ে গিয়েছে। এপ্রিলেই কলকাতা শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পার করে গিয়েছে। খুব সাম্প্রতিক কাজে এ অঘটন ঘটেনি শহরবাসীর সঙ্গে। ৩৮, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছতে না পৌঁছতেই কালবৈশাখী হানা দিয়েছে রাজ্যে। এবছর গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেভাবে লাফিয়ে লাফিতে তাপমাত্রা বেড়েছে তা বড় একটা আগে ঘটেনি। পিচ গলে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শহরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগামী ৪-৫দিন শহরে তাপ প্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত চলবে তাপ প্রবাহ।

তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি
শহরের পিচ গলা গরমে নাজেহাল দশা। সকাল ১০ টা বাজলে মনে হচ্ছে ১২টা বেজে গিয়েছে। পিচের উপরের বাতাস রীতিমত কাঁপছে। এই গরম পশ্চিমের জেলা গুলিতে দেখা যায়। গঙ্গার পাড়ের কলকাতা শহরে যে এমন গরম পড়বে তাও আবার এপ্রিল মাসে। সেটা স্বাভাবিক ভাবেই সহজ হবে না। গতকাল কলকাতা সহ ৭ জেলায় তাপ প্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর হাওয়া অফিস। কলকাতা শহরে সকাল ১১টা থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে তাপ প্রবাহ। সেটা চলবে বিকেল চারটে পর্যন্ত।

৪০ িডগ্রি পার করেছে তাপমাত্রা
শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পার করে গিয়েছে। গরমের পরিস্থিতি দেখে অনেক স্কুলই আগে ছুটি দিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে ছোটদের স্কুলে ছুটি দেওয়া হচ্ছে তাড়াতাড়ি। অনেক দুপুরের স্কুলের সময়ও কমিয়ে আনা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে দুপুরে রোদে বেরোতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকরা। দুপুর ১২ থেকে ৩টে পর্যন্ত রোদ এড়িয়ে চার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে রমজান মাস চলছে এখন। দুপুর থেকেই পসরা সাজিয়ে বসছেন দোকানিরা। কারণ বিকেল হলেই শুরু হয়ে যাবে ইফতার। তার আগেই খরিদ্দাররা ভিড় করবেন বাজারে। তারপরে ইদের কেনাকাটা তো রয়েইছে।

কী বলছেন চিকিৎসকরা
হঠাৎ করে তাপ প্রবাহ। এমন প্রকৃতির বৈপরীত্য। এই চরম আবহাওয়া অফিসেও বেরোতে হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁদের রাস্তায় বেরিয়ে কাজ করতে হয় তাঁদের সবচেয়ে বেশি সমস্যা। িচকিৎসকরা তাই বারবার বলছেন তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে দুপুরে যতটা সম্ভব রোগ এবং বাইরে বেরোনো এড়িয়ে চলতে হবে। বেশি করে জলীয় খাবার খেতে হবে। যাঁরা রোদে বেরোচ্ছেন তাঁদের সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে ওআরএস। কাটা ফল এবং রিচ খাবার এই সময় না খাওয়াই ভাল। তরমুজ, শশা, পেঁপে এই জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

কেন এই তাপ প্রবাহ
কলকাতা শহরে এই তাপপ্রবাহের জন্য উত্তর-পশ্চিম ভারতকেই দায়ী করেছেন আবহাওয়া বিদরা। উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে লাগাতার গরম হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। সেই কারণেই এই তাপ প্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শহরে। কলকাতা শুধু নয়, কলকাতা সংলগ্ন দমদম, ব্যারাকপুরেও তাপ প্রবাহ চলছে। এই সময় বাইরে বেরোেলই ছাতা এবং জল সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুদের বিশেষ করে পর্যাপ্ত পরিমানে জলীয় খাবার খাওয়াক পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications