জিডি-র প্রিন্সিপালকে সাত ঘণ্টা জেরা, ছা্ত্রী-নিগ্রহে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে
প্রিন্সিপালকে জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পিটি ক্লাস না থাকলে শিক্ষকরা শিশুটিকে নিয়ে গেল কী করে? সেই প্রশ্নই এবার নতুন করে উঠে পড়েছে। তাহলে কি তৃতীয় কোনও ব্যক্তি জড়িত ছিল এই ঘটনায়?
জিডি বিড়লা স্কুলে চার বছরের ছাত্রীর যৌন নিগ্রহের ঘটনার দিন কোনও পিটি ক্লাসই ছিল না। স্কুলের প্রিন্সিপালকে জেরায় উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাহলে পিটি শিক্ষকরা শিশুটিকে নিয়ে গেল কী করে? সেই প্রশ্নই এবার নতুন করে উঠে পড়েছে। তাহলে কি তৃতীয় কোনও ব্যক্তি জড়িত ছিল এই ঘটনায়? তদন্তকারীরা এবার সেই সত্য সামনে আনতে বদ্ধপরিকর।

মঙ্গলবার জিডি বিড়লার প্রিন্সিপালকে লালবাজারে তলব করে দফায় দফায় জেরা করা হয়। জেরা পর্ব চলে প্রায় সাতঘণ্টা। এই জেরায় বারবার ধরে ঘুরে ফিরে আসে সেই প্রশ্নগুলিই। তিনি কখন জানতে পারলেন এই ঘটনার কথা, কার কাছ থেকে জানলেন, ওইদিন কোনও পিটি ক্লাস ছিল কি না, ওই শিশুছাত্রীকে যৌন হেনস্থার পিছনে দুই শিক্ষকের অন্য কোনও অভিসন্ধি ছিল কি না, এর মধ্যে কোনও প্রতিহিংসা থাকতে পারে কি না- এসবই খতিয়ে জানা হয়।
প্রিন্সিপালের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। সেই বয়ান খতিয়ে দেখে তাঁকে ফের তলব করা হতে পারে। লালবাজারের গোয়েন্দা সূত্রে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, বুধবারই ফের প্রিন্সিপালকে তলব করা হতে পারে। এবং ফের জেরা করা হতে পারে। গোয়েন্দারা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে জানার চেষ্টা করেছেন এই ঘটনা চাপা দেওয়ার কোনও উদ্দেশ্য প্রিন্সিপালের ছিল কি না।
এদিকে প্রিন্সিপালের বয়ান অনুযায়ী যদি ওইদিন পিটি-র কোনও ক্লাসই না থাকে, তবে পিটি শিক্ষকদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। স্কুলের অন্য কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হতে পারে তৃতীয় কোনও ব্যক্তি ওই ছাত্রীকে দুই পিটি শিক্ষকের হাতে তুলে দিয়েছে। তা নিশ্চিত করতেই গোয়েন্দারা তদন্ত শুরু করেছে এবার।












Click it and Unblock the Notifications