ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, এই প্রথম ইচ্ছা থাকলেও সায় দিল না শরীর
না, শরীর সায় দিল না, ভোটও দিতে পারলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ইচ্ছা ছিল, এবারও তিনি ভোট দেবেন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াল সেই শারীরিক অসুস্থতা।
না, শরীর সায় দিল না, ভোটও দিতে পারলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ইচ্ছা ছিল, এবারও তিনি ভোট দেবেন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াল সেই শারীরিক অসুস্থতা। এই প্রথম তিনি ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উৎসবে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারলেন না তিনি। এদিন অবশ্য ভোট দিয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী ও মেয়ে।

বালিগঞ্জ কমলা গার্লস হাইস্কুল ভোট দেন বুদ্ধদেব-জায়া মীরা ভট্টাচার্য ও মেয়ে সুচেতনা। বুদ্ধদেববাবুরও আসার কথা ছিল এই কেন্দ্রে ভোট দিতে, কিন্তু শেষপর্যন্ত শরীর খারাপের কারণে তিনি ভোটদানে বিরত রইলেন। তাঁর স্ত্রী মীরাদেবীও জানালেন, ভোট দেওয়া সম্ভব ছিল না তাঁর পক্ষে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেববাবু। তিনি ঘর থেকে বেরোতেই পারেন না। তা সত্ত্বেও সংবাদমাধ্যম আশায় ছিল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভোট দিতে আসবেন। কিন্তু তা সম্ভব হল না। শেষবার ব্রিগেডের সময় বুদ্ধদেব বেরিয়েছিলেন। গাড়িতে করে গিয়েছিলেন ব্রিগেড সমাবেশ পর্যন্ত। গাড়িতেই খানিক বসে তিনি ফিরে এসেছিলেন বাড়িতে। মঞ্চে উঠতে পারেননি।
আসলে এখন বুদ্ধদেববাবুর সব সময়ের সঙ্গী অক্সিজেন সিলিন্ডার। নাকে সর্বদা অক্সিজেনের নল থাকে তাঁর। তা নিয়েই তিনি ব্রিগেডে এসেছিলেন। তবে ভোটকেন্দ্রে অসে ভোট দেওয়ার সাহস করতে পারলেন না তিনি। সাহস পেলেন না মীরাদেবী বা মেয়ে সুচেনতাও। উল্লেখ্য, তিনি এবার ভোটের কাজে দলকে সময় দিতে পারেননি।












Click it and Unblock the Notifications