ভাইফোঁটার দিনেও ইডি অফিসে, কয়েক ঘণ্টা পর বেরোলেন টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান
তাকে ডাকা হয়েছিল কী না, সেই বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। কয়েক ঘণ্টার উপর ইডির অফিস সিজিও কমপ্লেক্সে কাটিয়ে গেলেন তিনি। ভাইফোঁটার দিন দুপুর পর্যন্ত সিজিও কমপ্লেক্সেই কাটালেন টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। এদিন তিনি এই বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে সামান্য মুখও খুলেছেন।
এই নিয়ে তিন বার তিনি ইডি দফতরে হাজির হলেন। গত দুইবার পরপর দুদিন তিনি হাজির হয়েছিলেন ইডির দফতরে৷ তাকে ইডির আধিকারিকরা জেরা করছেন কি? সেই বিষয়ে সঠিক কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবারই তিনি ফাইল হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে যাচ্ছেন। এদিও তিনি ফাইল নিয়েই ইডির অফিসে হাজির হলেন।

টিটাগর পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান প্রশান্ত চৌধুরী আজ বুধবার ভাইফোঁটার দিন ইডি দফতরে হাজির হন। এর আগে ৭ নভেম্বর এবং ৮ নভেম্বর পরপর দুই দিন ইডি দফতরে এসেছিলেন তিনি। পুর নিয়োগ ও দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে তলব করেছিল ইডি। তারও আগে তার বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় তার দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়।
৭ তারিখ ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে প্রশান্ত চৌধুরী জানিয়েছিলেন, তার বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন থেকে তার সামনে ডাটা ট্রান্সফার করেন ইডি আধিকারিকরা। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফের তলব করে। পরের দিন কিছু ফাইলপত্র নিয়ে ইডি অফিসে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সেদিন আর তেমন কিছুই জানা যায়নি। এবার আজ তিনি ফের সিজিও কমপ্লেক্সে। কয়েক ঘণ্টা তিনি ভিতরে ছিলেন।
ইডি অফিস থেকে বেরিয়ে তিনি জানান, "আমি এসেছিলাম জানতে যে ওনারা কবে আসবেন। যিনি আইও ওনার কাছে জানতে এসেছিলাম, কবে আমাকে আবার আসতে হবে। বললেন পরে ফোন করে জানাবে।"
তিনি আরও বলেন, "যে মোবাইলগুলো নিয়েছিল সেগুলো আমার সামনে খোলা হয়েছে। আবার সিল করা হয়েছে। নথি গুলো আমাদের দিতে হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে এইগুলো আমরা প্রসেস করেছি।" তার আমলে ২৪০ জোন পুরসভায় নিয়োগ হয়েছিল। সেকথাও বলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications