বন সহায়ক নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের কাছে হলফনামা চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত
বন সহায়ক পদে কর্মী নিয়োগ নিয়ে ডিএফওদের উদ্দেশ্যে মুখ্য বনপালের নির্দেশের প্রেক্ষিতে নিয়োগে দুর্নীতির ছাপ আরও স্পষ্ট।

গত নভেম্বরে বন সহায়ক পদে ২ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। সেই নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। আদালত ৪ মার্চের মধ্যে রাজ্যের কাছে হলফনামা চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত। কিন্তু এরই মধ্যে মুখ্য বনপাল তথা প্রিন্সিপাল চিফ কনজারভেটর অব ফরেস্ট, এবং ফরেস্ট ফোর্সের প্রধানের একটি নির্দেশকে কেন্দ্র করে সন্দেহ আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
২৯ জানুয়ারি প্রিন্সিপাল চিফ কনজারভেটরের অফিস থেকে মুখ্য বনপাল সব ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে কেউ যদি জানতে চায়, তা হলে বোর্ড মেম্বারদের ব্যক্তিগত তথ্য তথা নাম ও যোগ্যতা জানানো যাবে না। অর্থাৎ এখানে বোর্ড বলতে সম্ভবত নিয়োগ বোর্ডের কথাই বোঝানো হয়েছে। এছাড়াও ফুল মার্কশিট ও সম্পূর্ণ মেধা তালিকা দেওয়া যাবে না। এবং অন্য প্রার্থীদেরও ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না। মুখ্য বনপালের এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে বন সহায়ক দলের কর্মী নিয়োগে অস্বচ্ছতার ছবি আরো স্পষ্ট বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
সূত্রের খবর, বন সহায়ক নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসে আরটিআই মারফত প্রশ্ন জমা পড়তে শুরু করেছে। সেই কারণেই এই ব্যস্ততা। সরকারের এই চিঠি ফাঁস হয়ে যেতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি সত্যিই অনিয়ম হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা থাকলে এত লুকোচুরির কী প্রয়োজন পড়ত। বনসহায়ক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে যে কারসাজি হয়েছে সেই সন্দেহের কথা প্রথম বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, এনিয়ে রতন বনমন্ত্রী রাজীবকে উদ্দেশ্য করেই মমতা বলেছেন। কিন্তু রাজীবও চুপ থাকেননি। তিনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এ ব্যাপারে মাননীয়াকে পাঠানো টেক্সট মেসেজ তাঁর কাছে সেভ করা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications