সিংহের দেশে প্রথমবার পূজিতা হবেন সিংহবাহিনী, ঠাকুর গেল কুমোরপাড়া থেকে
সিংহের দেশে প্রথমবার পূজিতা হবেন সিংহবাহিনী, ঠাকুর গেল কুমোরপাড়া থেকে
বিদেশে অনেক দুর্গা পুজো হয়। শুধু ইউরোপ , আমেরিকা জয় এখন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলেও পৌঁছে গিয়েছে বাঙালির দুর্গোৎসব। আসলে বাঙালি যেখানে সেখানে দুর্গা পুজো ঠিক করবেই। কিন্তু এতদিন সে সব হত না মাসাইমারায়। এবার তা হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক শুনছেন। ঘন জঙ্গল, পশুরাজের দেশ। মাসাই উপজাতি। তার মাঝে এবার হবে দুর্গা পুজো।

নিশ্চয় ভাবছেন যে কোনও কলকাতার থিমের প্যান্ডেলের কথা বলা হচ্ছে। একদম ভুল ভাবছেন। সত্যিই মা দুর্গার বাহনের দেশেই হবে এবার দুর্গাপূজা। এই প্রথম আফ্রিকার মাসাইমারার জঙ্গলে দুর্গাপুজো হচ্ছে। পর্যটকরাই পুজো করছেন মা দুর্গার বাহনের দেশে। বাংলার দুর্গাপুজো এখন বিশ্বজনীন বলে কথা। সিংহদের দঙ্গলে, মাসাইদের মঙ্গলে এই ট্যাগ লাইন নিয়ে হবে দুর্গাপুজো। পুজো করবেন বাঙালি পর্যটকরাই। সেই ঠাকুর যাচ্ছে মিন্টু পালের ঘর থেকে।
মিন্টু পাল বলেন, 'আমার তৈরি দুর্গা প্রতিমা অনেক জায়গায় গিয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকার বিভিন্ন দেশে গিয়েছ, কিন্তু মাসাইমারায় যায়নি। আমাদের দুর্গাপুজো এখন বিশ্বজনীন এটা তার বড় প্রমাণ। তাও কোথায় যাচ্ছে সেই ঠাকুর না সিংহের দেশে। সে আবার মা দুর্গার বাহন। বলা যায় সিংহের দেশে উপ্পস্থিত হচ্ছেন সিংহবাহিনী। এ এক অভিনব এবং দারুণ ব্যপার। আমাদের এখানকার মানুষ মাসাইমারায় দুর্গা মূর্তি নিয়ে গিয়ে পুজো করবে। দারুণ উদ্যোগ"
এই বিষয়ে অন্যতম উদ্যোক্তা রাখি মিত্র সরকার বলেন যে, 'এই প্রথমবার কেনিয়ায় মাসাইদের দেশে হবে দুর্গাপুজো। আমার অনেক দিন আগে ইচ্ছা ছিল। হয়ে ওঠেনি। এবার সেটা হচ্ছে। মা দুর্গার পুজো হবে সিংহের দেশে, ওনার বাহনের দেশেই। এবার ছোট দুর্গা নিয়ে যাচ্ছি, কারণ এই প্রথমবার নিয়ে যাচ্ছি বলে। তবে পরের বার বড় কিছু নিয়ে যাবার চেষ্টা করব। তবে এটা তৈরি সম্পূর্ণ মাটির। যাতে ওই মাটির সঙ্গে যোগ থাকে সেই ভাবনা থেকেই এটা করা করা"।
মাসাইমারা তানজানিয়ার সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কের সাথে সংলগ্ন কেনিয়ার নারোকে একটি বৃহৎ জাতীয় খেলার রিজার্ভ। এর নামকরণ করা হয়েছে মাসাই জনগণের সম্মানে, এই এলাকার পূর্বপুরুষ, যারা নীল নদের অববাহিকা থেকে এই অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়েছিল। দূর থেকে দেখলে এলাকা সম্পর্কে তাদের বর্ণনা: স্থানীয় মাসাই ভাষায় "মারা" মানে "দাগযুক্ত", অনেক ছোট ঝোপঝাড় গাছের কারণে যা ল্যান্ডস্কেপ বিন্দু করে।
মাসাই মারা আফ্রিকার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং মরুভূমি এলাকাগুলির মধ্যে একটি, যা সিংহ, আফ্রিকান চিতাবাঘ, চিতা এবং আফ্রিকান বুশ হাতির ব্যতিক্রমী জনসংখ্যার জন্য বিশ্বখ্যাত। এটি গ্রেট মাইগ্রেশনেরও আয়োজন করে, যা এটিকে আফ্রিকার সাতটি প্রাকৃতিক আশ্চর্যের একটি এবং বিশ্বের দশটি আশ্চর্যের একটি হিসাবে সুরক্ষিত করেছে।












Click it and Unblock the Notifications