Fire at Kolkata: উল্টোডাঙায় রেললাইনের ধারের বস্তিতে বিধ্বংসী আগুন, ভস্মীভূত বহু ঘর, চারপাশ জুড়ে হাহাকার
Fire at Kolkata: ফের শহরে বিধ্বংসী আগুন! উল্টোডাঙায় রেললাইনের ধারে থাকা বস্তিতে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌছয় দমকলের অন্তত ৭টি ইঞ্জিন। একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ করা হচ্ছে। তবে এলাকা এতটাই ঘিঞ্জি যে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শুধু তাই নয়, আগুন নেভাতে কার্যত সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে দমকল আধিকারিকদের যদিও দমকলের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগিয়েছে সাধারণ এলাকার মানুষজনও। শুধু তাই নয়, আগুন যাতে না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলীশ বাহিনী।

গোটা এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত উল্টোডাঙ্গায় রেল চলাচলে কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে পরিস্থিতির উপর রেলের তরফে নজর রাখা হচ্ছে বলেই খবর।
জানা যাচ্ছে, রবিবার সকালে একেবারে উল্টোডাঙা রেললাইনের ধারে বস্তিতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তে একের পর এক ঝুপড়িতে আগুন ধরে যায়। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে ঘটনাস্থলে আরও দমকলের ইঞ্জিন পাঠানো হয়। পুরো এলাকা ঘিরে নেওয়া হয় দমকলের তরফে।
চারপাশ ঘিরে ধরে এই আগুন নেভানোর কাজ করা হয়। তবে এই ঘটনায় এতটাই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যে ঘটনার মুহূর্তে একেবারে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, বস্তির আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে বলে দাবি। নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আর সম্ভাবনা নেই বলেই দাবি। কীভাবে সাত সকালে এত বড় আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বহু দাহ্য পদার্থ। এমনকি বিপুল ভাবে তুলো মজুত করা ছিল বলেও খবর। এভাবে কেন তা রাখা হয়েছিল তা স্পষ্ট নয় দমকল আধিকারিকদের।
স্থানীয় মানুষজনের দাবি, শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লাগতে পারে। অন্যদিকে ধীরে ধীরে ঠান্ডা পড়ছে। হঠাত এই ঘটনায় রাতারাতি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। সব হারিয়ে একেবারে হাহাকার গোটা এলাকা জুড়ে। যা খবর, আগুন লাগার ফলে অন্তত ১০টিরও বেশি ঘর সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি একাধিক ঝুপড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications