ভোররাতে কলকাতায় বিধ্বংসী আগুন, মৃত এক বাংলাদেশি, আশঙ্কাজনক আরও দুই
ভোররাতে কলকাতায় বিধ্বংসী আগুন। ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি গেস্ট হাউসে বিধ্বংসী এই আগুন লাগে। ঘুমের মধ্যে ভয়ঙ্কর এই অবস্থা দেখতে পেয়ে রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গেস্ট হাউসে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে। আতঙ্কে রীতিমত ছোটাছুটি শুরু হ
ভোররাতে কলকাতায় বিধ্বংসী আগুন। ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি গেস্ট হাউসে বিধ্বংসী এই আগুন লাগে। ঘুমের মধ্যে ভয়ঙ্কর এই অবস্থা দেখতে পেয়ে রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গেস্ট হাউসে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে। আতঙ্কে রীতিমত ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় একের পর এক দমকলের ইঞ্জিন।

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরা। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কালো ধোঁয়াতে ঢেকে যায় চারপাশ। জানা যায়, প্রায় এক ঘন্টার লাগাতার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রনে আনা হয় আগুন। কিন্তু সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায় গেস্ট হাউসের ১১টি ঘর।
অন্যদিকে ভয়াবহ ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর। জানা গিয়েছে, কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশের মানুষ। আর ওই গেস্ট হাউসেই উঠেছিলেন। ভয়াবহ এই আগুনে যে একজনের মৃত্যু হয়েছে তিনি বাংলাদেশের বলেই জানা যাচ্ছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিসি সেন্ট্রাল রূপেশ কুমারও।
দমকল সূত্রে খবর, ভোর ৪টে নাগাদ এই আগুন লাগে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখতে পান তাঁরা। প্রাথমিক ভাবে তিনটি গাড়ি আগুন নেভানোর কাজ করলেও আরও গাড়ি আনা হয়। অন্যদিকে পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গেস্ট হাউসে অনেকেই আগুন লাগার সময়ে আটকে পড়ে। কেউ আবার আতঙ্কে প্রায় এক কাপড়েই নীচে নেমে আসেন।
তবে ঠিক কীভাবে এহেন বিধংসী আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে দমকলের প্রাথমিক ধারণা সম্ভবত শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লাগতে পারে। যদিও দমকলের তরফে পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি ওই গেস্ট হাউসে আগুন নিয়ন্ত্রনের সমস্ত কিছু ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রয়োজনে গেস্ট হাউসের মালিককেও এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এখন ঘটনাস্থলে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। তবুও দমকলের তরফে পুরে যাওয়া অংশে জল দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। কাউকে সামনে যেতে দেওয়া হচ্ছে আপাতত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় শনিবাসরীয় সকালে।












Click it and Unblock the Notifications