Fire at Kolkata: দীপাবলির আগেই 'অন্ধকারে' ডুবল আলোর বাজার! সব শেষ...কান্নায় ভেঙে পড়লেন ব্যবসায়ীরা
Fire at Kolkata: সাইক্লোন 'দানা'র আতঙ্কে প্রহর গুণছে তিলোত্তমা। এর মধ্যেই কলকাতায় বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডের ঘটনা। এজরা স্ট্রিটে একটি কাঠের বাক্সের গুদামে এই আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতা এতটাই যে আশেপাশের একের পর এক ইলেকট্রিক দোকানেও তা লেগে যায় বলে খবর। এখনও পর্যন্ত দমকলের ১৫ টি ইঞ্জিন একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ করছে।
কিন্তু এতটাই ঘিঞ্জি এলাকা যে আগুন নেভাতে (Fire at Kolkata) একেবারে হিমশিম খেতে হয়। এমনকি দমকলের ইঞ্জিনও ভিতরে ঢুকতে সমস্যার মধ্যে পড়ে বলে জানা যায়। যদিও একপাশের রবীন্দ্র সরণি এবং অন্যদিকের অংশ থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান দমকল আধিকারিকরা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যা খবর, আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে গোটা এলাকা সাদা ধোঁয়াতে ঢেকে গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।

তিনি জানিয়েছেন, দমকল ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছে। রাত ৯টা বেজে ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও কিছু এলাকায় পকেট ফায়ার রয়েছে তা নেভানোর কাজ চালানো হচ্ছে। তবে নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ভয় নেই বলেই জানান দমকলমন্ত্রী। এমনকি আশেপাশের এলাকাতেও আর ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।
Fire at Kolkata: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বাজারজুড়ে
তবে বিধ্বংসী এই অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা স্থানীয় মানুষদের। এজরা স্ট্রিট অন্যতম বৃহত আলোর বাজার। দীপাবলির আগে এই বাজার ব্যাপক আকার নেয়। বিভিন্ন ধরনের আলো বিক্রি হয় সেখানে। এমনকি রাজ্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও লাইট রফতানি হয়। আর এটাই ব্যবসার সময়, আর এই সময় ভয়ঙ্কর আগুন সব শেষ করে দিল বলে মন্তব্য ব্যবসায়ীদের। আগুনের লেলিহান শিখায় একের পর এক লাইটের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। বেঁচে নেই লাইটও। ফলে সব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
#WATCH | West Bengal Fire and Emergency Services Minister Sujit Bose says, "There have been no casualties. The situation is under control. 15 fire tenders are here. The cooling period is underway." https://t.co/vmvGcqwBSJ pic.twitter.com/P8Y5AJ8wSK
— ANI (@ANI) October 23, 2024
Fire at Kolkata: একনজরে ঘটনা-
এদিন সন্ধ্যায় টেরিটি বাজারের উল্টোদিকে একটি কাঠের গুদামে প্রথম আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে প্রথমে দমকলের ১২ টি ইঞ্জিন যায়। পরে আরও তিনটে গাড়ি পাঠানো হয়। পার্শ্ববর্তী বহুতলের আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা । মুহূর্তে হেস্টিংস থানার পুলিশ এবং বউ বাজার থানার পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। আগুনের তীব্রতা এতটা বেশি ছিল মুহূর্তে তা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।












Click it and Unblock the Notifications