ভোট বাড়াতে ভরসা অন্যদলই! যা ইঙ্গিত দিলেন মোদীর দলের রাজ্য সভাপতি
রাজ্যে বিজেপির জন্য দ্বিতীয়স্থান পাকা। মহেশতলা উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
রাজ্যে বিজেপির জন্য দ্বিতীয়স্থান পাকা। মহেশতলা উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সিপিএম ও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলার পর এবার প্রথমস্থানের জন্য তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই, মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। এইসঙ্গে তাঁর ইঙ্গিত জুন মাস থেকে পুরনো সিপিএম নেতা-কর্মী এবং সংখ্যালঘু সমাজের একটি অংশ বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুরু করবেন।

একটা সময় ছিল যখন বিজেপিকে ভোট দিলে রাজ্যে সিপিএম কিংবা কংগ্রেস জিতে যেত। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায়। বিজেপিকে ভোট দিলে তারা দ্বিতীয় স্থান দখল করছে। ফলে একের পর এক নির্বাচনে বিজেপির যেমন ভোট বাড়ছে, ঠিক তেমনই তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। মহেশতলার ফল নিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ।
মহেশতলায় সংখ্যালঘু ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। সেদিক থেকে বিজেপির সংগঠনও এখনও সেরকম নয় মহেশতলায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মহেশতলায় ২৮৩ টি বুথের মধ্যে প্রায় শখানের বুথে কোনও এজেন্ট দিতে পারেনি তারা। তবুও যে লড়াই হয়েছে, কিংবা বিজেপিকে মানুষ ভোট দিয়েছে তাতে খানিকটা খুশি বিজেপি শিবির।
সিপিএম-এর দিক থেকে সরে যাওয়া প্রায় ৫০ হাজার ভোটের পুরোটা যে তাদের দিকে যায়নি, সে সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য রেখেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অনুমান, সিপিএম-এর কিছু ভোট গিয়েছে তৃণমূলের দিকেও। তবে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে তাদের ভরসা যে সেই অন্য দল তাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি জুন মাস থেকে বহু সিপিএম নেতা-কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে নাম লেখাবেন। একইসঙ্গে সংখ্যালঘু ব্যক্তিত্বদের অনেককেই যে বিজেপির ছাতার তলায় দেখা যাবে, তারও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications