Bratya Basu: "তালিকা প্রকাশ হবে না," যোগ্য-অযোগ্য জট নিয়ে ব্রাত্যর স্পষ্ট উবাচ; কাউন্সেলিং তত্ত্ব খারিজ!
Bratya Basu: সোমবার চাকরিহারা শিক্ষকরা দাবি করেছিলেন, এসএসসির তরফে বলা হয়েছে তৃতীয় কাউন্সেলিং পর্যন্ত সবাই বৈধ, তারপর সকলকে অবৈধ ঘোষণা করেছে পর্ষদ। এরপরই রাত পেরিয়ে চাকরিহারাদের প্রতিবাদ চরমে ওঠে। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে সেই কাউন্সেলিং তত্ত্ব খারিজ করে দিলেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। পাশাপাশি জানিয়ে দিলেন, যোগ্য-অযোগ্যের কোনও তালিকা প্রকাশ করা হবে না।
এদিন ব্রাত্য স্পষ্টতই জানান, "তৃতীয় ও চতুর্থ কাউন্সেলিংয়ের কথা আমরা বলিনি। এসএসসিও বলেনি। ১৭২০৬ জন যোগ্য সেটা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে। আইনি পরামর্শ পাইনি। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন নেই। তাই তালিকা প্রকাশ করা গেল না। কারও বেতন নিয়ে সমস্যা নেই। কাউকে টার্মিনেশন লেটার দেওয়া হয়নি। কাউকে বেতন বন্ধের কথা বলা হয়নি। তাহলে আন্দোলনের যৌক্তিকতা কোথায়? অযথা রিভিউ পিটিশন দুর্বল হবে, এমন কোনও কাজ করা ঠিক নয়।"

ব্রাত্যর সাংবাদিক বৈঠকের আগেই মেদিনীপুরের সভা থেকে মমতা বলেন, "যোগ্য অযোগ্য দেখার দরকার নেই। বেতন পাচ্ছেন কি না, সেটা দেখুন। কাজে যোগ দিন।" মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই কথা বলে শিক্ষকদের অবিলম্বে কাজে যোগদানের আবেদন ব্রাত্যর। সরকার তাদের স্বার্থেই দ্রুত রিভিউ পিটিশনে যাচ্ছে বলে দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। তিনি আরও বলেন, "সরকার কোনওরকম কড়া মনোভাব নেবে না, পুলিশকে আমরা বুঝিয়েছি।"
কাউন্সেলিং নিয়ে জলঘোলা করে চাকরিহারা শিক্ষকরা নিজেরাই নিজেদের রিভিউ পিটিশনের ক্ষেত্রে বিপদ টেনে আনছে মনে করেন ব্রাত্য। প্রয়োজনে চাকরিহারাদের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসার কথাও বলেন শিক্ষামন্ত্রী। এসএসসি ভবনে চেয়ারম্যানকে আটকে রেখে এই আন্দোলন অবিলম্বে চাকরিহারাদের প্রত্যাহার করা উচিত বলেও মন্তব্য ব্রাত্যর।
এদিকে যোগ্য অযোগ্য প্রার্থীদের লিস্ট প্রকাশের দাবিতে অনড় চাকরিহারা শিক্ষকরা। কাজে ফেরা ও বেতন পাওয়ার থেকেও অযোগ্যদের চিহ্নিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা। অযোগ্যদের সঙ্গে এক সারিতে থাকতে তারা কোনমতেই রাজি নন। তাহলে কি শেষমেশ তালিকা দেবে এসএসসি? ব্রাত্য স্পষ্ট কথায় জানিয়ে দেন, "লিস্ট প্রকাশ করার ক্ষেত্রে কনটেম্পট অফ কোর্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। সমস্যা হচ্ছে শিক্ষকরা কাজে যাচ্ছেন না। তারা কাজে গেলেই সমস্যা নেই। এসএসসির কোনও তালিকা প্রকাশ হবে না।"
মেদিনীপুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "কেন গরমের মধ্যে বসে রয়েছেন শিক্ষকরা? স্কুলে ফিরুন। কলকাতায় থাকলে ১ সেকেন্ডে মিটিয়ে দিতাম। কাল থেকে অন্তত ১০ বার ফোনে কথা। যোগ্য-অযোগ্য তালিকা নিয়ে কেউ কেউ অনড়। শিক্ষকরা স্কুলে ফিরুন, কাজে যোগ দিন। যোগ্য-অযোগ্য নিয়ে ভাবতে হবে না। বেতন পাচ্ছেন কি না, সেটা দেখুন। গ্রুপ সি, ডি নিয়ে রিভিউ পিটিশন করবে রাজ্য।"












Click it and Unblock the Notifications