RG Kar Case: প্রসূণকে নিয়ে সোজা সন্দীপের বাগানবাড়িতে ইডি, নির্যাতিতার বাড়িতে ফের CBI
আরজি কর কাণ্ডে সন্দীপ ঘোষের পিএকে গ্রেফতার করল ইডি। সুভাষগ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপরেই তাঁকে নিয়ে সন্দীপ ঘোষের ক্যানিংয়ের বাংলো বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে ইডি। সেখানে তাঁকে নিয়ে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
আগামী ৯ তারিখ সুপ্রিম কোর্টে প্রধানবিচারপতির এজলাসে রয়েছে মামলার শুনানি। তার মধ্যেই তদন্তে তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে ইডি এবং সিবিআই। শনিবার সকাল থেকে একাধিক জায়গায় ইডি এবং সিবিআই যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছে। সন্দীপ ঘোষের একাধিক ঘনিষ্ঠের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। সন্দীপ ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছে যান তাঁরা।

এরই মধ্যে সন্দীপ ঘোষের পিএ প্রসূণ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। প্রসূণ চট্টোপাধ্যায়কে আটক করা হয়। সন্দীপের ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি। সোনারপুরে সন্দীপের বিলাসবহুল বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে ইডি। ৯ অগাস্ট ঘটনার দিন সেমিনার রুমে দেখা গিয়েছিল প্রসূণ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রসূণকে দেখে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন প্রতিবেশীরা।
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর প্রসূণ চট্টোপাধ্যায়। ঘটনার দিন কেন তিনি আরজি করের সেমিনার হলে পৌঁছে গিয়েছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সন্দীপের ঘনিষ্ঠ সহযোহী এই প্রসূণ। তার কাছে সন্দীপের অনেক গোপন তথ্য থাকতে পারে আন্দাজ করেই ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইডিকে তদন্ত সবরকম সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রসূণ চট্টোপাধ্যায়। এদিকে প্রসূণকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিবেশীরা উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান দিতে থাকেন।
এদিকে তদন্তে নেমে সন্দীপ ঘোষের একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি। ক্যানিংয়ে বিলাস বহুল বাগানবাড়ি। সোনারপুরে বিশাল রিসর্ট। সবটারই মালিক সন্দীপ ঘোষ। অন্যদিকে আবার সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালাতে শুরু করে দিয়েছেন তদন্তকারীরা। সন্দীপ ঘোষের শ্বশুরবাড়ি চন্দননগরেও গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেখানে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন যে সেখানে তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি নেই। তাঁরা শ্যালিকার বাড়িতে রয়েছে। এয়ারপোর্ট ২ নম্বর গেটে রয়েছে সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার ফ্ল্যাট। সেখান থেকে কিছু দূরে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে নাকি তাঁরা ছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সেখানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন তাঁরা।
অন্যদিকে সিবিআইও তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে। শুক্রবার ফের তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাড়িতে। সিবিআইয়ের চার সদস্যের টিম সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল। তাঁরা নির্যাতিতার মা -বাবার সঙ্গে কথা বলবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৫ তারিখ নির্যাতিতার মা-বাবা দাবি করেছিলেন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নির্যাতিতার বাবা-মাকে টাকা দিতে চেয়েছিলেন ডিসি সেন্ট্রাল।












Click it and Unblock the Notifications