টিচার্স ট্রেনিংয়ের নামে ঘুষ-কাণ্ড! মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে তলব ইডির
এবার তলব করা হল মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে। তাঁকে সামনে রেখে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে ঘুষ নেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই তথ্য সামনে আসার পরই ইডি তাপস মণ্ডলের টিসার্চ ট্রেনিং সেন্টারে হানা দেয় শনিবার।
এবার তলব করা হল মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে। তাঁকে সামনে রেখে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে ঘুষ নেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই তথ্য সামনে আসার পরই ইডি তাপস মণ্ডলের টিসার্চ ট্রেনিং সেন্টারে হানা দেয় শনিবার। তারপর রবিবার তাঁকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ২০ অক্টোবর তাঁকে সংস্থার ব্যাঙ্কের নথিপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়েছে ইডি অফিসে।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ইডির হাতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য গ্রেফতারের পরই মহিষবাথানে তাঁর ঘনিষ্ঠের নামে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের নাম উঠে আসে। শনিবার তালা ভেঙে সেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তল্লাশি চালায় ইডি। সেখান থেকে বেশ কিছু নথি-পত্র উদ্ধার হয়। তা খতিয়ে দেখাও হয়।
এরপরই ইডির তরফে নোটিশ পাঠানো হয় মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে। তাঁকে ব্যাঙ্কের নথিপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়। ২০ অক্টোবর তাঁকে তলব করা হয়েছে। ইডি মনে করছে, মহিষবাথানে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে ঘুষ চক্র চলত। এখান থেকে বেআইনি নিয়োগের ঘুষ নেওয়া হত বলেই জানতে পেরেছেন ইডির তদন্তকারী অফিসাররা।
ইডি আরও জানতে পেরেছে, মানিক ভট্টাচার্য তাঁর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে সামনে রেখে এই চক্র চালাতেন। অর্থাৎ ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে ঘুষ-কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড মানিক ভট্টাচার্য স্বয়ং। মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারির পর ইডি জানিয়েছিল, তিনিই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির প্রধান হোতা। তাঁকে গ্রেফতারের পর ইডি তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে ও অফিসে হানা দিয়ে জানার চেষ্টা চালাচ্ছে কীভাবে এই চক্রের বিস্তার করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, মানিক ভট্টাচার্যের বদান্যতায় মহিষবাথানে তাপস মণ্ডল মিনার্ভা এডুকেশেন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি চালাতেন বলে জানতে পেরেছে ইডি। তারপরই তদন্তে মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠের মিনার্ভা এডুকেশেন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটিতে প্রবেশ করে চিরুণি তল্লাশি চালানো হয়। বাড়ির মালিককে বসিয়ে তদন্ত চলছে। এই ট্রেনিং সেন্টারে প্রচুর নথি মিলেছে।
এদিকে বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, পাঁচ মাসের ভাড়া তিনি পাননি। বিগত দু-মাস ধরে ট্রেনিং সেন্টার পুরোপুরি বন্ধ। এমনকী বাইরের বোর্ডও খুলে নেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডি তৎপরতা বাড়তেই এই ট্রেনিং সেন্টার বন্ধ করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। সেই বন্ধ ট্রেনিং সেন্টারে তল্লাশি চালাতে এসে ইডিকে চাবি পেতে হিমশিম হতে হয়। শেষে চাবিওয়ালাকে ডেকে তল্লাশি চালানো হয়।
এই ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে কী কী কাজ হত, কারা এখানে আসত- সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন ফাইলপত্র ঘেঁটে দেখা হচ্ছে। বেশ কিছু খাম পাওয়া গিয়েছে। তাতে বেশ কিছু চিঠি মিলিছে। ইডি এই সব কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করে তল্লাশি চালায়। অফিস সিজ করে যাওয়ার পর এদিন তাপস মণ্ডলকে তলব করা হল।












Click it and Unblock the Notifications