কয়লাকাণ্ডের তল্লাশিতে কলকাতা থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার করল ইডি
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে ইতিমধ্যে যোগ পাওয়া গিয়েছে শাসকদলের। আর সেই তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে একাধিক প্রভাবশালীকে জেরা করা হয়েছে। এমনকি জেরা করা হয়েছে অভিষেককেও। আর এরই মধ্যে নয়া মোড়
West bengal Coal Scam: কয়লা-কান্ডের তল্লাশিতে বড় সাফল্য। শুধু তাই নয়, ফের কলকাতার বুকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে কয়েক কোটি টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
এমনকি এরপর একাধিকবার বাংলায় নগদ উদ্ধার হয়েছে। তবে কয়লা কান্ডের তদন্তে নেমে প্রথম কোটি টাকা উদ্ধার করল তদন্তকারী সংস্থা। যা বড়সড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।
|
কোটি টাকারও বেশি উদ্ধার হয়েছে বলে খবর
গত কয়েকমাস ধরেই কয়লা-কান্ডের তদন্ত করছে সিবিআই এবং ইডি। তেমনই আজ বুধবার সকালে ১০ থেকে ১২ জনের একটি টিম তল্লাশিতে বের হয়। প্রথমেই সোজা চলে যান বালিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর অফিসে। পরে জানা যায় সেটি গজরাজ গ্রুপের অফিস। আর সেখানে তল্লাশি শুরু করেন ইডির আধিকারিকরা। জানা যায়, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান ইডির তরফে চালানো হয়। আর এই দীর্ঘ তল্লাশিতে এখনও পর্যন্ত এক কোটি টাকারও বেশি উদ্ধার হয়েছে বলে খবর।

টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে
তবে টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে খবর। তদন্তকারীরা মনে করছেন ওই অফিস এবং অন্যান্য জায়গাতে আরও টাকা লুকানো আছে। আর সেই টাকা উদ্ধারে চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে নোট গণনার মেশিন আনা হয়েছে। অন্যদিকে ওই অফিসের একজন ডিরেক্টরকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাঁকে নানা ভাবে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ এই টাকা কীভাবে এল তা নিয়ে তাঁকে জেরা করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের একাধিক ডিরেক্টর আছে বলে খবর। প্রয়োজনে তাঁদেরও জেরা হবে বলে খবর। এমনকি প্রভাবশালীর বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।

কালো টাকা সাদা করা হয়েছে
জানা যাচ্ছে, এই তল্লাশিতে দিল্লি থেকে বিশেষ ইডির টিম এসেছে। সূত্রে খবর, কয়লা পাচারের টাকা বিভিন্ন জায়গাতে পৌঁছেছে। সেই মতো বড় একটা অ্যামাউন্ট ওই অফিসের ডিরেক্টরদের কাছেও এসেছে বলে দাবি ইডির। গজরাজ গ্রুপের একাধিক ব্যবসা রয়েছে। নির্মান সংস্থা থেকে ফুড চেন! রয়েছে ধাবাও। সেখানেই কয়লা পাচারের টাকা দিনের পর দিন বিনিয়োগ হয়েছে বলে মনে করছেন ইডির আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, কালো টাকা সাদা করার কাজেও কয়লা পাচারের টাকা ব্যবহার হয়েছে বলে দাবি ইডি। একাধিক সাক্ষী এবং প্রভাবশালীকে জেরা করে এই সংস্থার খোঁজ পান ইডির আধিকারিকরা। এরপরেই এই তল্লাশি বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications