ED Raid at Kolkata: কলকাতায় ফের ইডি তল্লাশি, কালীঘাটের কাকুর প্রাক্তন অফিসে হঠাৎ কেন অভিযান?
কালী ঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের প্রাক্তন অফিসে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে একটা সময়ে কাজ করতেন কালীঘাটের কাকু। সেকারণেই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র।
তারপরেই আবার তাঁর প্রাক্তন অফিস লিপ্স অ্যান্ড বাউন্সে তল্লাশি শুরু করেছেন ইডির তদন্তকারীরা। সকাল থেকেই অফিসে হানা দিয়েছেন তাঁর। ২০১৬ সাল পর্যন্ত নাকি এই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন কালীঘাটের কাকু। তারপর তিনি পদত্যাগ করেন। এদিকে আবার তাঁর জামাই এবং আলিপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

এদিকে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকে জেরা করে যে তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের সেই তথ্যর উপর নির্ভর করেই এই তল্লাশি অভিযান বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই সংস্থার নাম এর আগে সারদাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়েছিল। লিপ্স অ্যান্ড বাউন্সে কালীঘাটের কাকু যে জড়িত ছিলেন সেটা তিনি প্রকাশ্যেই স্বীকার করেছেন।
ইডি সূত্রে খবর এসডি কন্সালটেন্সির সঙ্গে লিপ্স অ্যান্ড বাউন্সের যোগাযোগ ছিল এবং একাধিক বার এই দুই সংস্থার মধ্যে আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এসডি কনসালটেন্সি থেকে ৯৫ লক্ষ টাকা লিপ্স অ্যান্ড বাউন্সে গিয়েছিল। কোন সূত্রে সেই টাকা পৌঁছল এই সংস্থার কাছে তা জানতেই মূলত তল্লাশি বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য নাকি এই টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্য যে একেবারেই ভুয়ো তা জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তারপরেই এই তল্লাশি অভিযান বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে গতকাল রাতেই আমেরিকা থেকে চিকিৎসা করিয়ে ফিরেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই শহরে হঠাৎ করে ইডি তৎপরতা নিয়ে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৯৫ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। যেটি নিয়োগ দুর্নীতির টাকা বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান তদন্তকারীদের। চার্জশিটে এই টাকা লেনদেন কথা উল্লেখ করেছিল ইডি। সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের আলিপুরের ফ্ল্যাট এবং তাঁর জামাইয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
অন্য িদকে দক্ষিণ ২৪ পরগানার বিষ্ণুপুরে সাঁজু়য়া নামক এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ৫ জনের আধিকারীকের দল একটি প্যাকেজিং সংস্থার অফিসে পৌঁছে তল্লাশি চালাচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে কী যোগ রয়েছে এই সংস্থার তা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই জলকোম্পানির দফতর রয়েছে ডায়মন্ডহারবার লোকসভার অন্তর্গত। এই জল কোম্পানির অর্থের উৎস তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications