চলতি সপ্তাহেই কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহে মরিয়া ইডি, কিন্তু নাগাল পাবেন তদন্তকারীরা?
আর দেরি করতে চাইছে না ইডি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠ কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। চলতি সপ্তাহেই এই নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু এসএসকেএম হাসপাতাল কতটা সহযোগিতা করবে? এদিকে সেই প্রশ্ন উঠছে। রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে টালবাহানা করছে। এমনই ভাবছে ওয়াকিবহাল মহল।
ইডির বিশেষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। ইএসআই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এবার সুজয়কৃষ্ণকে নিজেদের সঙ্গে ইডির নিয়ে যাওয়ার পালা। কিন্তু কীভাবে সম্ভব হবে এই কাজ? এসএসকেএমএর কার্ডিওলজি বিভাগের থেকে কোনওভাবেই বার করা যাচ্ছে না কালীঘাটের কাকুকে।

বারবার ব্যর্থ হয়ে ফিরছেন ইডির আধিকারিকরা। মাসের পর মাস হাসপাতালের কেবিনে থাকছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ঠিক কোন অসুস্থতা তার রয়েছে? কোন চিকিৎসা চলছে কালীঘাটের কাকুর? এই প্রশ্ন একাধিকবার করা হলেও সঠিক কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। এমনই জানিয়েছেন তদন্তকারীদের একাংশ। রক্তচাপ এখনও তার নিয়ন্ত্রণে নেই। একথা জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
এসএসকেএমএর চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মাঝেমধ্যেই রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। মানসিক স্থিতিশীল অবস্থা তার হারিয়ে যাচ্ছে মাঝেমধ্যেই। ফলে শারীরিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়তে পারে। সে কারণেই হাসপাতালে রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। কিন্তু একদিনও কি সুস্থ থাকছেন না তিনি? কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য খুব বেশি সময় প্রয়োজন হয় না।
একবেলার মধ্যেই এই কাজ সম্ভব। এমনই বলছ ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। তার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়বেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র? না কী কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার কথা উঠতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন? এসএসকেএম হাসপাতাল কাকুকে আড়াল করে রাখতে চাইছে। এই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এখন ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে? তাই নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন থাকছে।
এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে কীভাবে কাকুকে বের করা সম্ভব? তাই এখন লাখ টাকার। প্রশ্ন তবে আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না ইডি আধিকারিকরা। ইএসআই হাসপাতালে তাকে নিয়ে যেতেই হবে। চলতি সপ্তাহেই এই কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে ইডি।
ইডির কাছে একটি ভয়েস নোট আছে। সন্দেহ করা হচ্ছে সেটি কালীঘাটের কাকু। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা মিটে গেলে তদন্তে এক বিশাল ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে। অনেক বড় রাঘববোয়ালের নাম জড়িয়ে যাবে এই মামলায়। এমন দাবি করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই কি কাকুকে আড়াল করে রাখার সব রকম কৌশল চলছে? প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের।












Click it and Unblock the Notifications