DYFI Brigade: তিনি আজও নেতৃত্বে, কমরেড বুদ্ধবাবুর বার্তা পাঠ করে সমাবেশে ইতি টানলেন মীনাক্ষী
তিনি মঞ্চে নেই কিন্তু তাঁকে ভুলে যায়নি আগামী প্রজন্ম। সেকারণেই ব্রিগেড সমাবেশেও বুদ্ধবাবুর বার্তা পাঠ করেই সভা শেষ করলেন ক্যাপ্টেন মীনাক্ষী। বুদ্ধবাবু লিখে পাঠিয়েছেন, ' যেখানে ডাক পড়ে, জীবন মরণ পরে ছুটে যাই আমরা।' এটাই DYFI-র লক্ষ্য। পুরাতনকে সঙ্গে নিয়েই যে নবীনদের চলতে হবে সেটা বুঝিয়ে দিলেন নেত্রী। ব্রিগেডের আগের দিন কিন্তু ছুটে গিয়েছিলেন বুদ্ধবাবুর কাছে।
পাম অ্যাভিনিউর বাড়িতে শয্যাশায়ী বুদ্ধবাবু। বেশ কয়েকবার ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ঘুরে গিয়েছেন তিনি। তারপর থেকে বাড়িতেই রয়েছেন। তবে অক্সিজেন সাপোর্টে থাকেন। রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবো আর তাঁকে অংশ নিতে দেখা যায় না। যিনি একটা সময়ে রাজ্য সামলেছেন তাঁকে এভাবে দেখতে অনেকেই চাননা। কিন্তু সময়ের নিয়মে সকলেই পুরনো হয় প্রবীণ হয়। নতুনরা জায়গা নেয় পুরাতনের। তাবলে পুরাতনকে কেউ ভুলে যান না। কারণ পুরনোরাই ভিত্তি তৈরি করে দিয়ে যান।

যেমনটা রাজ্যে বামপন্থার ভিত্তি তৈরি করে দিয়ে গিয়েছেন জ্যোতি বসু, অনিল বিশ্বাস, বিমান বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যরা। তাই ইনসাফের লড়াইয়ে তাঁেদর ভুলে গেলে চলবে না। নতুন ক্যাপ্টেন মীনাক্ষীও সেটা ভুলে যান নি। মনে রেখেছেন পুরনো কমরেডদের। যৌবনের ডাকে জনতার ব্রিগেড হলেও সেই ব্রিগেডে সামিল হয়েছিলেন ১৮ থেকে ৮০ সকলেই।
এদিন ইনসাফের ব্রিগেড সমাবেশ লড়াইয়ের ময়দানে নামার বার্তা দিয়েছেন ইনসাফ। কাজ, রুটি, রুজির মন্ত্রে ইনসাফের লড়াই হবে। সেই লড়াই দীর্ঘ হবে। কারণ এই লড়াই সাধারণ মানুষের লড়াই তাই ময়দান ছেড়ে তারা যাবেন না। মানুষের রুটি রুজি, কাজের শর্তে চলবে লড়াই। যাঁরা ২৯০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে এসেছেন তাঁদের শ্রম বিফলে যাবে না বলে হুঁঙ্কার দিয়েছেন মীনাক্ষী।
শেষে বুদ্ধবাবুর বার্তা পড়ে শোনাতে ভোলেলনি তিনি। ইনসাফ ব্রিগেডের একেবারে শেষ বুদ্ধবাবুর বার্তা পড়ে শোনান মীনাক্ষী। সেই বার্তাই তাঁদের ইনসাফ যাত্রার লক্ষ্য হবে বলে বার্তা দিয়েছেন মীনাক্ষী। অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রবীণদের আদর্শ নিয়েই ইনসাফ যাত্রা চলবে। ইনসাফের লক্ষ্যে এগিয়ে যাবেন তাঁরা।
বুদ্ধবাবুকে শেষবার ব্রিগেডে দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালে। অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তবে মঞ্চে ওঠেননি। তাঁর ব্রিেগডের মঞ্চে আসাটাই যেন বামপন্থীদের কাছে অক্সিজেন যুগিয়ে িদয়েছিল। যদিও ভোটবাক্সে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি। মীনাক্ষী এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁদের ইনসাফের লড়াই সাংসদ-বিধায়ক পদ প্রাপ্তির জন্য নয়। তাঁদের ইনসাফের লড়াই সাধারণ মানুষের রুটি রুজির জন্য। সেই লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়বেন তাঁরা












Click it and Unblock the Notifications