Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মহালয়ায় দেবীর চক্ষুদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী, ফিরহাদের চেতলা অগ্রণীতে চমক ১ কোটির বেশি রুদ্রাক্ষ দিয়ে

চেতলা অগ্রণী ক্লাবের পরিচিতি মূলত ফিরহাদ হাকিমের পুজো বলে। আজ এক সাংবাদিক বৈঠকে চেতলা অগ্রণীর এবারের থিম ও আকর্ষণের নানা কথা জানানো হলো। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এবারে এই ক্লাবের পুজোর ৩৩তম বছর। এবারও প্রথা মেনে মহালয়ায় এই পুজোর দেবীমূর্তির চক্ষুদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফিরহাদ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব জননীর চক্ষুদান করবেন। তবে ওইদিন থেকে আমাদের পুজোর মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য খোলা হচ্ছে না। এবারে বৃষ্টির কারণেও মণ্ডপ তৈরির কাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে পুজোর উদ্বোধন মহালয়ায় হলেও ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে দর্শনার্থীরা মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন। গত বছর ১ কোটির বেশি মানুষ চেতলা অগ্রণীর পুজো দেখতে এসেছিলেন বলে দাবি করেন ফিরহাদ।

পুজোর থিম অমৃত কুম্ভের সন্ধানে। সমরেশ বসুকে এর মাধ্যমে বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হচ্ছে। মণ্ডপ তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ১ কোটির বেশি রুদ্রাক্ষ। উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া থেকেও আসল রুদ্রাক্ষ আনা হচ্ছে।

থিম সৃজনের দায়িত্বে রয়েছেন সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, গত বছর দশমীর দিনই এবারের পুজো নিয়ে ভাবতে বলেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। পরে তিনি বলেন, রুদ্রাক্ষ নিয়ে যদি কিছু করা যায়। রুদ্র হলেন শিব, অক্ষ হলো চোখ বা চোখের অশ্রু। শিব পুরাণে শিবের অশ্রুর যে ব্যাখ্যা রয়েছে তা নানাভাবে তুলে ধরা হবে মণ্ডপে। ফিরহাদ হাকিম আরও বলেছিলেন, আমাদের পুরস্কার নিয়ে মাথাব্যথা নেই। মানুষ যাতে দেবীকে নমস্কার করতে পারেন, সেটাই মূল। এরপর বেনারসে গিয়ে সাধু সন্তদের কাছ থেকে নানা তথ্য সংগ্রহ করেছি। মণ্ডপে ঢোকার সময় যেমন ত্রিপুরাসুর বধ তুলে ধরা হবে, তেমনই গর্ভগৃহে সমুদ্র মন্থন-সহ নানা বিষয় তুলে ধরা হবে। রুদ্রাক্ষের বিজ্ঞানসম্মত যা গুণাবলি রয়েছে সেই বার্তাও দেওয়া হবে।

গত বছর পুজো শেষের মাস তিনেক পর থেকেই এবারের পুজোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল বলে জানান সুব্রত। তাঁর কথায়, ফিরহাদ হাকিম কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে বলেছিলেন। তা হলো, হস্তশিল্পীরা যাতে কাজ পান, পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে এবং সর্বোপরি যাতে দর্শকরা স্বাচ্ছন্দ্য পেয়ে দেবীমূর্তি দর্শন করতে পারেন। পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও কলকাতার হস্তশিল্পীরা এখানে কাজ করেছেন। সকলে ২০০ দিনের কাজ পেয়েছেন। অনেকে হাতেকলমে ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মতো কাজ শেখারও সুযোগ পেয়েছেন।

ফিরহাদ হাকিম বলেন, অনেকেই কাজ করার ফাঁকে গ্রামে ফিরে ধান কাটার কাজ করে ফিরে এসেছেন। ফলে এখানে কাজ করে তাঁরা যা অর্থ রোজগার করবেন সেটাও পৌঁছে যাবে গ্রামে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান প্রান্তিক মানুষের কাছে অর্থ পৌঁছে যাক, তাতে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে। মেলা-খেলা নিয়ে তাঁকে সমালোচনা করা হলেও অর্থনীতিকে মজবুত করতে তাঁর এই ভাবনার কথা আমাদের মণ্ডপ তৈরির ক্ষেত্রেও আমরা মাথায় রাখি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+