মহালয়ার আগেই চক্ষুদান, নয়ন মেলে তাকালেন এক টনের দুর্গা

মহালয়ার আগেই চক্ষুদান, নয়ন মেলে তাকালেন এক টনের দুর্গা

অষ্টধাতুর এক মেট্রিক টনের দুর্গামূর্তির চক্ষুদান হবে। চক্ষুদান করবেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। শোভাবাজার বেনিয়াটোলা শহরের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে সব থেকে ভারী প্রতিমা পুজো করবে। বহু মেহনত করে ভারী পণ্যবাহী ক্রেন দিয়ে সেই মূর্তি বসানো হয়েছে মণ্ডপে। এবার চক্ষুদানের পালা। আজ রবিবার ঠিক সাড়ে এগারোটায় চক্ষুদান শুরু হয়।

এক টনের দুর্গা

এক টনের দুর্গা

রাধা অষ্টমীর পূণ্য লগ্নে পাকাপাকি ভাবে প্রায় পনেরো ফুট দৈর্ঘের গনেশ,কার্তিক, লক্ষী,সরস্বতী সহ অষ্টধাতুর দশভুজা দেবী মুর্ত্তি প্রতিষ্ঠা করলো কলকাতার এই পুজো কমিটি।এবার থেকে দেবী এখানে নিত্য পুজিতা হবেন । ২৬ সেপ্টেম্বর দেবীর প্রান প্রতিষ্ঠা হবে এবং সেই দিনেই দেবীর চক্ষুদান করবেন প্রতিমা শিল্পী মিন্টু পাল।

থিম

থিম

তাঁদের থিমের নাম এক টন। এই এক টন হল দুর্গা মূর্তির ওজন যা অষ্টধাতু দিয়ে তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অষ্টধাতুর আটটি ধাতু হল সোনা, রূপা, তামা, পিতল, কাঁসা, রাং, সীসা ও লোহা। অষ্টধাতুতে ভাগ্য বদলায় কীভাবে? কোনোভাবেই না। ধাতুর সঙ্গে ভাগ্যের সম্পর্ক ভিত্তিহীন। মানুষের শরীরে অষ্টধাতু নয়, বহু ধাতু আছে। রক্ত-কণিকা, হাড়, কোষের গঠনে ধাতু মিশে আছে। আমাদের প্রতিদিনকার খাবারেও বিভিন্ন ধাতু থাকে। শরীরের কোষে কোষে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা ধাতুই যদি ভাগ্য পরিবর্তন করতে না পারে, বাহ্যিক ধাতব অলংকার ভাগ্য বদলায় কী করে?

বিভিন্ন পাথরের

বিভিন্ন পাথরের

বিভিন্ন পাথরের প্রতিও মানুষের গভীর বিশ্বাস দেখা যায়। প্রকৃতিতে বহু বর্ণ ও গঠনের পাথর পাওয়া যায়। এসব পাথর মূলত বিভিন্ন মৌলের যৌগ। যেমন, রুবি পাথর হলো অ্যালুমিনিয়ামের যৌগ। মূলবান হিরা হলো কার্বন। মুক্তা হলো ক্যালসিয়ামের যৌগ। পাথরে বিভিন্ন ধাতুর উপস্থিতির কারণে এরা বর্ণে ও গঠনে আলাদা। প্রাচীনকাল থেকেই এসব পাথরের দুষ্প্রাপ্যতার কারণে এদের আর্থিক মূল্য ছিল বেশি। ধনাঢ্য মানুষেরা এগুলোর ব্যবহার করে আভিজাত্যের প্রতীক করেছে। সাধারণের কাছে করেছে লোভনীয়। যেমন, হিরা যদি লোহার মতো সহজলভ্য হতো, তাহলে হিরার প্রতি মানুষের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকত না।

চিকিৎসাবিজ্ঞান

চিকিৎসাবিজ্ঞান

একসময় চিকিৎসাবিজ্ঞান আধুনিক ছিল না। দুষ্প্রাপ্য পাথরকে মানুষ রোগমুক্তির জন্য ব্যবহার করে মানসিক তৃপ্তি পেত। ধনাঢ্য ব্যক্তিরা পাথরে খুঁজে পেল অর্থপ্রাপ্তির মানসিক আস্থা। দরিদ্র সমাজে তাই পাথর হয়ে গেল ধনী হওয়ার উপায়। মূলত এটা আসে দারিদ্র্য মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকে। আংটি পরে কপাল খুলে গেছে, এমন গল্পের শেষ নেই। সকল পাথর, বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগের মিশ্রণ। ভাগ্য পরিবর্তনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। নিজেকে অলংকৃত করতে পাথর কিংবা আংটি ব্যবহার করা যায়। তবে এসব ব্যবহারে ধনী হওয়া, রোগমুক্তি, ভাগ্য বদলানোর যে গল্প প্রচলিত সেগুলো শুধুই রূপকথা। নিউটন, রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন, নীলস বোর, বিল গেটস কিংবা স্টিভ জবসের আংটি বা পাথর ব্যবহারে ভাগ্য বদলায়নি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+