RG Kar Hospital: পদত্যাগের ৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন দায়িত্বে সন্দীপ ঘোষ, আরজি করের দায়িত্বে এলেন কে?
আরজি কর হাসপাতাল থেকে অধ্যক্ষ পদ ছাড়ার পরে চিকিৎস হিসেবেও সরকারি চাকরি ছাড়তে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্বাস্থ্য দফতর তাঁর চাকরি ছাড়ার পদত্যাগ পত্রের অনুমোদন করেনি। তাঁকে ন্যশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে বসছেন সুহৃতা পাল। জানা গিয়েছে এর আগে ছাত্র আন্দোলনের জেরে অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সন্দীপ রায়। কিন্তু ২ দিনের মধ্যে আবার নিজের পদ ফিরে পেয়েছেন। হাসপাতালের তাঁর ঘর তালা দিয়ে রাখা হয়েছিল। নতুন অধ্যক্ষ সেই ঘরে বসতে পারেননি। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের দায়িত্ব নিয়ে আরজিকর হাসপাতালে ফিরে আসেন তিনি।

এবারও পদত্যাগ কর কোনও রকম ঔদ্ধত্য কমেনি তাঁর। উল্টে একাধিকবার প্রকাশ্যে নির্যাতিতার নাম নিয়েছিলেন তিনি। চাকরি থেকেও ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন তাঁর পদত্যাগ পত্র গ্রহন করেনি। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে বহাল করা হয়। আরজিকর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফার ৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন পদে বহাল করা হয়েছে তাঁকে।
আরজি কর হাসপাতাল থেকে অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা করার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ওকে অন্য জায়গায় সরিয়ে দিয়েছি। কোন প্রভাবশালীর কারণে সন্দীপ রায়ের এতো দাপট স্বাস্থ্য দফতরে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আরজি কর হাসপাতালের একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল সন্দীপ ঘোষের।
ঘটনার পরে একটি বারের জন্যও নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেননি কথা বলেননি। এমনকী নির্যাতিতার বাবা অভিযোগ করেছিলেন তাঁরা অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অধ্যক্ষ তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। হাসাতালের একজন চিকিৎসক পড়ুয়ার এই মর্মান্তিক পরিণতির পরও কেন প্রাথমিক অভিভাকের দায়িত্ব তিনি পালন করলেন না।
এমনকী পুরো ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। এমনকী পুলিশও তাঁর বাবাকে ফোন করে বলেছিল তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু পুরো প্রচেষ্টা সফল হয়নি। ফাঁস হয়ে যায় আরজিকর হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়ার ভয়ঙ্কর পরিণতির কথা। এবং তারপরেই একের পর এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।












Click it and Unblock the Notifications