জ্বর হলে ২৪ ঘণ্টা পরেই করুন রক্ত পরীক্ষা! ডেঙ্গি রুখতে আর কী কী পরামর্শ চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাসের
রাজ্য জুড়ে দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করেছে ডেঙ্গি। আগামী অন্তত চারমাস দাপিয়ে বেড়াবে। কলকাতা-সহ শহরতলীতে ডেঙ্গির উপদ্রবকে উন্নয়নের সঙ্গে তুলনা করেছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। কিন্তু সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া ডেঙ্গি থেকে বাঁচতে আর কোনও কিছু পক্ষপাতী নন।
চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গি সবে শুরু হয়েছে। জমা জলে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি হবে। মাত্র এক ছিপি জলেই এডিস মশার বংশবৃদ্ধি সম্ভব, বলছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস। আর মশার বংশবৃদ্ধি আটকানো গেলে ডেঙ্গি প্রতিরোধ করা সম্ভব। শুধু প্রশাসনের ঘাড়ে দোষ না চাপিয়ে সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে।

ঠিক কখন ডেঙ্গে হয়েছে বোঝা যাবে?
গা-হাত-পা অহস্য ব্যথা, চোখ লাল ও চোখে ব্যখা, গায়ে লাল ছোপ দাগ বেরোচ্ছে দেখলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তবে ২৪ ঘন্টার বেশি ১০০ ওপরে জ্বর থাকলে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। সেক্ষেত্রে ডেঙ্গিতে শুধুমাত্র আটকে না থেকে ম্যালেরিয়া পরীক্ষাও করানো জরুরি।
ডেঙ্গির কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা না থাকায় প্যারাসিটামল খেতে হবে। প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। প্লেটলেট দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে, তা খুবই সুষ্পষ্ট বলেই মনে করেন চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস। ১০ হাজারের নিচে প্লেটলেট না নামলে তা দেওয়ার দরকার নেই।

ডেঙ্গির চিকিৎসা বাড়িতেই সম্ভব। হাসপাতালে খুব কম সংখ্যাক রোগীকে ভর্তি করতে হয়। তবে ডেঙ্গি নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করলে তা আটকানো সম্ভব। এর জন্য সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। কোনওভাবেই জ্বর হলে রোগীকে দিন চারেক বাড়িতে ফেলে রাখা যাবে না। একদিন পরেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
সরকারের উদ্দেশে আবেদন করে অরিন্দম বিশ্বাস বলেছেন, যেহেতু ডেঙ্গিতে মৃত্যু হচ্ছে এবং চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সেরোটাউপ বিপজ্জনক, সেই কারণে সরকারি উদ্যোগে সেরোটাইপ পরীক্ষা করাতে হবে। বাচ্চা-বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই সময় হাত-পা ঢাকা জামা কাপড় পড়তে পারলে ভাল।












Click it and Unblock the Notifications