RG Kar Hospital: 'কয়েকজন দুর্নীতিগ্রস্ত লোকের জন্য…', সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্ফোরক অভিযোগ চিকিৎসক সংগঠনের
আরজি কর হাসপাতালের তরুনী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা নিয়ে এবার প্রতিবাদে সরব হল চিকিৎসকদের সংগঠন। তাঁরা সংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন। চিকিৎসক সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতাল গুলিতে নিরপাত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
সাংবাদিক বৈঠক করে চিকিৎসক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে কোনও আরজির হাসপাতালে কীভাবে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় অবাধে ঘুরে বেড়াত। কীভাবে সে সেমিনার রুমে পৌঁছে যেতে পারে। হাসপাতালের নার্স এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। চিকিৎসকের সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে তাহলে হাসপাতালে রোগী এবং নার্সদের নিরাপত্তা কী হবে। তাই নিয়ে রীতিমতো শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসক সংগঠনের চিকিৎসকরা।

তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজের নিরপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। কেন আরজিকর হাসপাতালের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ খারাপ ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। কেন এতো অনিয়ম চলছিল আরজির হাসপাতালে এই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে চিকিৎসকদের সংগঠন।
আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে চিকিৎসক সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে তিনি যেন হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ গুলির নিরপত্তা সুনিশ্চিত করেন। এবং কয়েকদন দুর্নীতি গ্রস্ত লোকের জন্য স্বাস্থ্য দফতরের এই হাল বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁরা অনুরোধ করেছেন যেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন তাহলে তাঁরা জানাতে পারবেন রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগে কী দুর্নীতি চলছে।
এদিকে আরজিকর কাণ্ডে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তিনি সরকারি চিকিৎসকের পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি স্বাস্থ্য দফতর। ঘটনার দিন থেকেই আন্দোলনকারীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের বরখাস্ত দাবিতে সরব হয়েছিল। তারা দাবি করেছিল পদত্যাগ করলে হবে না তাঁকে বরখাস্ত করতে হবে। এর আগে মেডিকেল কলেজের সুপারকেও সরানো হয়েছে।
সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্যাতিত মৃত চিকিৎসকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তাঁর মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্যাতিতা মৃত্যুর তদন্তের কিনারা করতে ডেডলাই বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা পুলিশকে রীতিমতো ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন। রবিবারের মধ্যে তদন্তের কিনারা করতে না পারলে সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত ভার তুলে দেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications