প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণের জবাব, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মমতার একের পর এক 'ব্যর্থতা' তুলে ধরলেন দিলীপ
প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণের জবাব, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মমতার একের পর এক 'ব্যর্থতা' তুলে ধরলেন দিলীপ
প্রধানমন্ত্রী মোদীর (narendra modi) সঙ্গে এদিন জেলাশাসকদের বৈঠক ছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee), তাঁকে বৈঠকে না বলতে দেওয়ার প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষে সামিল হয়েছিলেন। তারই জবাব দেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh) । তিনি বলেন, বৈঠকে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরই অতিথি হিসেবে ডাকা হয়েছিল। করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী ব্যর্থ বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীদের বক্তব্য রাখার জন্য নয়
দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেছেন, এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীদের বক্তব্য রাখার জায়গাই ছিল না। তা সে বিজেপি শাসিত রাজ্যই হোক আর অবিজেপি শাসিত রাজ্য। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তো প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখছেন। আরেকটি চিঠি লিখে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর বক্তব্য জানাতে পারেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়ে আলাদা করে কথাও বলতে পারেন।

মানসিক চাপে রয়েছেন মমতা
দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, নির্বাচনের আগেও একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। কিন্তু সেইসব বৈঠকে হাজির থাকেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। তাই হয়তো কথা বলে নিজেকে হাল্কা করতে চেয়েছিলেন। এছাড়াও সব জায়গায় বক্তব্য রাখার প্রবণতা উনার আছে। সেই কারণে হয়তো একটু দুঃখ পেয়েছেন, বলেছেন

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনাকে গুরুত্ব দেননি
দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনাকে কখনই গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেন, ২০২০-র ফেব্রুয়ারিতে সংসদে প্রধানমন্ত্রী যখন বলেছিলেন, ওই ভাইরাস সম্পর্কে তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দিল্লির দাঙ্গা থেকে নজর ঘোরাতেই প্রধানমন্ত্রী নতুন উপায় বের করেছেন। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ল্যাজে গোবরে হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিক থেকে শুরু করে, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই কিট পর্যন্ত দেওয়া যায়নি।
দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, গতবছর ডিসেম্বরে যেখানে রাজ্যে ১৩৫৮৮ টি করোনার বেড ছিল, তা এপ্রিলে কমিয়ে ৭৭৭৬ করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি দূরদর্শীই হন, তাহলে করোনার বেড কমানো হল কেন। তিনি বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এতটাই টলমল যে বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে উত্তরপ্রদেশের দিকে।
রাজ্যের হাতে পর্যাপ্ত টিকা থাকার দাবি করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ১৫০০ টিকাদান কেন্দ্র খুলেছে রাজ্য। কিন্তু বেশি সংখ্যাক মানুষকে টিকা দিতে গেলে আরও বেশি সংখ্যক টিকাদান কেন্দ্র খুলতে হবে।

একটি সম্প্রদায়কে দেখতে গিয়েই লকডাউনে দেরি
দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করতেও দেরি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র একটি সম্প্রদায়কে খুশি করতে গিয়েই তাদের উৎসবের পরে লকডাউনের ঘোষণা করেন তিনি। ফলে রাজ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ে। এর দায় এবার তিনি মোদীর ঘাড়েই চাপাতে চাইছেন।












Click it and Unblock the Notifications