Dilip Ghosh: রাজ্যে বামেদের অস্তিত্ব মানলেন! মুখ্যমন্ত্রী মমতার 'দৃষ্টি' নিয়ে প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের
রাজ্যে বামেদের অস্বস্তি মানলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে নিউটাউনে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, সুজন চক্রবর্তী বলছেন, ১০ থেকে ২১ শতাংশ ভোট বেড়েছে বামদের। বিজেপির ৩৮ থেকে ভোট কমে ২২ শতাংশ হয়েছে। তৃণমূলের ৫ শতাংশ ভোট কমেছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ।
সুজন চক্রবর্তীর, আসল বিরোধী শক্তি বামেরা, এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, যতই ওরা গায়ের জোরে বলুন, বাম কটা আসন পেয়েছে? কত প্রার্থী দিয়েছিল? সেটা তো মানুষ ঠিক করবে, কে আসল বিরোধী। ৩ বার ওদের সব ভোটে মানুষ হারিয়েছে। তবে হ্যাঁ, ওরা যে এখনও আছে তার প্রমাণ ওরা দিতে পেরেছে।

পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বলছেন ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেছেন, উনি সব দেখতে পান না, শুনতেও পান না। যতটা দৃষ্টি বা বোঝার ক্ষমতা, ততটা বলছেন। বাস্তব যেটা, যে মিডিয়া তুলে ধরছে, সেটা তো অস্বীকার করা যাবে না। এরকম লোকের কাছে আর কিছু আশা করা যায় না।
নির্বাচনের ফল বেরনোর পরেও হাইকোর্টের তোপে কমিশন। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, এই কমিশনার যবে থেকে নিযুক্ত, তবে থেকেই বিতর্কে। আর নিয়মিত কোর্টের ধমক খেয়ে যাচ্ছেন। বোঝাই যাচ্ছে, যে উদ্দেশ্য নিয়ে তাকে কমিশনার করা হয়েছিল সেটাই উনি করতে বাধ্য হয়েছেন। ওনার কোনো রোল ছিল না। উনি রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন।
রাজভবনের পিস রুমে ৭৫০০-এর বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। যা আদালতে পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ভাবুন একবার! ৬২ হাজার বুথে ভোট। তারমধ্যে শুধু রাজভবনেই অভিযোগ সাড়ে ৭ হাজার। এরকম হাজার হাজার অভিযোগ কমিশনের কাছে বা বিডিওর কাছেও এসেছে। সুরাহা হয়নি।
গণনার দিনই দলবদল করেছেন সিপিআইএম এবং বিজেপির নব নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যরা। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন নির্দল কে দলে নেব না। কুণাল ঘোষ বললেন, নেবো।
দলের দুই নেতার দুই মত। এগুলো শুধু কথার কথা বলেও মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, ২০১৮ তে এরকম সব নির্দল পরে তৃণমূল জয়েন করেছিল।












Click it and Unblock the Notifications