নরেন্দ্র মোদীর ধাক্কা সামলানো যাচ্ছে না! মমতার দুর্ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের
ফের স্বমহিমায় দিলীপ ঘোষ। বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট নিয়ে কটাক্ষ করলেন। রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়েও তাঁর মুখে বিদ্রুপের সুর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে জোট চাইছেন না। তিনি একা লড়বেন বিজেপির বিরুদ্ধে। এই কথার পরেই দেশের রাজনীতিতে জলঘোলা শুরু হয়েছে। সেই বিষয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

জোটের ধাক্কা বা গাড়ির ধাক্কা শুধু নয়। তাঁর মনের ধাক্কা বুঝতে পারছেন? রাস্তায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানাচ্ছেন, জোটে যাবেন না। এটা সিদ্ধান্ত। সঠিকভাবে গুছিয়ে ঘোষণা করুন তিনি এই বিষয়ে। আসলে নরেন্দ্র মোদী ধাক্কা দিয়েছেন। সেই ধাক্কা ভালো ভাবে সামলাতে পারছেন না তৃণমূল নেত্রী। এমনই কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের।
বর্ধমানে গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কপাল কেটে রক্তপাত হয়েছে। সেই বিষয় নিয়েও কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন দিলীপ। ভারতে ২০০ কিলোমিটার বেগে গাড়ির গতিবেগ হয় কী? সেই বিষয়ে প্রশ্ন করেন বিজেপি সাংসদ।
বিদ্রুপের সুরে তিনি বলেন, বিমানে চড়লে দুর্ঘটনার ভয়। গাড়িতে চড়লে দুর্ঘটনার ভয়। কেন এমন হচ্ছে? শুধুই কি খবর করার জন্য? মুখ্যমন্ত্রী নিজে পুলিশ মন্ত্রী। তিনি যদি সুরক্ষিত না হন। তাহলে বাকিদের কী অবস্থা হবে? প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের। ট্রাফিক কন্ট্রোলের বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ।
দিলীপ আরও বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা হয়, তাহলে ভগবানের আশীর্বাদে মুখ্যমন্ত্রী বেঁচে গিয়েছেন। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির তল্লাশি অভিযান নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তিনি। ইডি কি আদৌ শেখ শাহজাহানকে ধরতে গিয়েছে? নোটিশ দিতে গিয়েছে? সার্চ করতে গিয়েছে? পুলিশ লুকিয়ে রাখলে শেখ শাহজাহানকে পাওয়া যাবে না। তাকে ধরার কাজ পুলিশের। ইডির নয়।
রাজ্যপাল৷ সিভি আনন্দ বোসকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কালো পতাকা দেখানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে এখন আর কোনও সংস্কৃতি নেই৷ রাজনীতি, শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। সভ্যতা, সৌজন্যের লেশমাত্র নেই।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একের পর এক ধাক্কা দিচ্ছেন। সেই ধাক্কাতেই বিরোধীরা কুপোকাত হচ্ছেন। এমনই মত দিলীপ ঘোষের।












Click it and Unblock the Notifications