বাড়ছে আস্থা, মোদীই মুসলিম সমাজের মসিহা! আর যা বললেন এই নেতা
নরেন্দ্র মোদীকে তাদের নেতা হিসেবেই মনে করে মুসলিম সমাজ। মহেশ্বরী ভবনে ভারতীয় জনতা সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য প্রশিক্ষণ বর্গের অনুষ্ঠানে এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
নরেন্দ্র মোদীকে তাদের নেতা হিসেবেই মনে করে মুসলিম সমাজ। মহেশ্বরী ভবনে ভারতীয় জনতা সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য প্রশিক্ষণ বর্গের অনুষ্ঠানে এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সংখ্যালঘু সমাজের বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

দলের অনুষ্ঠানে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্যই অন্যয় রাজনৈতিক দলগুলি বিজেপি থেকে মুসলিম দূরত্ব তৈরির চেষ্টা করছে। বিজেপির সম্পর্কে মুসলিমদের মধ্যে ভুল ধারনা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষের দাবি, বাস্তবে পরিস্থিতি উল্টো। বিজেপির ওপর মুসলিম সমাজের আস্থা বাড়ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মুসলিমদের অধিকার দেওয়ার দাবি করলেন, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাঁদেরকে শুধুমাত্র ভোটের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। মোদী সরকারের আমলে, মুসলিমদের অবস্থা ফিরেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তিন তালাক প্রথা নিয়ে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
সংখ্যালঘুদের মধ্যে আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ক যে বিজেপির টার্গেট তা আাগেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। ২১ জুলাই কলকাতায় জনসমাবেশে তখন তৃণমূল নেতারা ব্যস্ত, ঠিক তখন মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে সভা করে বিজেপি। পূর্বে তৃণমূলে থাকা দুই সংখ্যালঘু নেতা বিজেপি যোগ দেন ওই দিন। হুমায়ুন করীব এবং আব্দুল করিম চৌধুরী দুজনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। এর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন পাঁশকুড়ার আনিসুর রহমান। উলুবেড়িয়া লোকসভার উপনির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনতালাক খ্যাত ইসরাত জাহান এবং তাঁর আইনজীবী নাজিয়া ইলাহি।












Click it and Unblock the Notifications