রানিগঞ্জকে ‘ম্যানমেড জোশীমঠ’ বানাচ্ছে তৃণমূলই, মমতাকে পাল্টা দিলেন দিলীপ

রানিগঞ্জকে ‘ম্যানমেড জোশীমঠ’ বানাচ্ছে তৃণমূলই, মমতাকে পাল্টা দিলেন দিলীপ

মেঘালয় সফরে যাওয়ার আগে রানিগঞ্জ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জোশীমঠ প্রসঙ্গ টেনে বলেছিলেন রানিগঞ্জের অবস্থা দশ বছর ধরে ভয়ঙ্ককর থেকে ভয়ঙ্করতর হয়ে উঠছে। মমতা কেন্দ্রকে নিশানা করার পর পাল্টা তৃণমূলের দিকেই তির ছুড়লেন দিলীপ ঘোষ।

রানিগঞ্জকে ‘ম্যানমেড জোশীমঠ’ বানাচ্ছে তৃণমূলই, মমতাকে পাল্টা দিলেন দিলীপ

তিনি বলেন, রানিগঞ্জ বা আসানসোল এলাকায় যে অবৈধ খনি গজিয়ে উঠেছে, তা তৃণমূল কংগ্রেসের কল্যাণেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সেটা আগে বন্ধ করুন। আর রানিগঞ্জ বা আসানসোলে আপনার লোকেরাই কয়লা কাটছে। মানুষকে ফলে বিপদে ফেলছেন তো আপনারাই।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, অবৈধ কয়লাখনি থেকে আফনার লোকেরাই পয়সা নিচ্ছে। নিজেরাই মানুষকে বিপদে ফেলে কেন্দ্রকে দোষারোপ করছেন আপনারা। দিলীপের কথায়, পাহাড়ে যেটা হচ্ছে সেটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এর আগেও উত্তর কাশীতে ভূমিকম্পতে ভেঙেছে।

দিলীপ ঘোষ বলেন, রানিগঞ্জ বা আসানসোল যে ধ্বংসস্তূপ হয়ে উঠেছে, তা কিন্তু মানুষের তৈরি করা বিপদ। অবৈধ খনি তৈরি করা হচ্ছে কয়লা তোলার জন্য। সেখান দিয়ে জল ঢুকেছে। মাঝেমধ্যেই লাশ পাওয়া যাচ্ছে খনির মধ্যে, সেটা আপনি বন্ধ করতে পারবেন না। কারণ আপনার লোকেরা খনির মধ্যে ঢুকে কয়লা চুরি করছে। সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলছেন আপনারাই, এর জন্য মোদীজি দায়ী নন।

এদিন রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে তিনি বলেন, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। তার মধ্যে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের টেস্ট পেপারে আজাদ কাশ্মীরের উল্লেখ। এ থেকে স্পষ্ট এখানকার শিক্ষা বিভাগ কারা চালাচ্ছেন। আসলে ভূতে চালাচ্ছে বাংলার শিক্ষা বিভাগ। ডামাডোল লুঠপাট লেগেই রয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, পশ্চিমবঙ্গ যে শিক্ষা নিয়ে গর্ব করত আজকে সেই শিক্ষাই সবচেয়ে দুর্ভাগ্য ও দুশ্চিন্তার ব্যাপার। সবথেকে বেশি লুঠপাট দুর্নীতি ওখানেই হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গকে তাই এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে হবে। রাজ্য এগোচ্ছে না। কিন্তু পক্ষান্তরে দেশের শাসন দেখুন। দেশ এগিয়ে চলেছে। আজকে যেহেতু দেশ এগোচ্ছে সব জায়গা সমস্ত মানুষ নাগরিক অধিকার পাচ্ছেন। গরিব মানুষরা প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কল্যাণ যোজনার লাভ পাচ্ছেন। কেউ আর বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে যেতে রাজি নন। কেউ দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে রাজি নন।

দিলীপ বলেন, আর রাজ্যে ১০টি মঞ্চের ডাকে বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা মহামিছিল করছে। সরকারের অপরিসীম দুর্নীতির পাশাপাশি যোগ্যদের বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। তারা লড়াই করছেন কয়েক বছর ধরে। নিঃসন্দেহে সেটা অভিনন্দনযোগ্য। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে লড়াই দুটোই অনুকরণীয়। আমাদের পার্টি ও সমাজ তাদের সঙ্গে আছে। তাঁরা অধিকারের লড়াই লড়ুন। এই সরকারের ঘুম ভাঙুক এবং এই সরকারকে বাধ্য করুক। আমরাও চাইব যাঁরা বঞ্চিত তাঁরা যেন তাঁদের অধিকার ফিরে পান।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+