আসন বদলের পরেও প্রত্যয়ী! তৃণমূলের অন্তর্জলী যাত্রার কারণ আলোচনা করে দলীয় নেতৃত্বের তারিফ দিলীপ ঘোষের

প্রার্থী তালিকায় নাম ঘোষণার পরের দিনই এলাকায় গিয়ে পৌঁছলেন দিলীপ ঘোষ। সোমবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। তারপর তিনি শক্তিগড়ের উদ্দেশে রওনা হয়ে যান। এদিন ও মঙ্গলবার তিনি বর্ধমান ও দুর্গাপুরে দোল ও হোলির কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। প্রসঙ্গত রবিবার তাঁর নাম বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর পুরনো কেন্দ্র মেদিনীপুরে দাঁড় করানো হয়েছে অগ্নিমিত্রা পালকে।

এদিন সকালে তাঁর কাছে প্রথম প্রশ্ন ছিল পুরনো কেন্দ্র মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর দেওয়া হল। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, কার কেন্দ্র কোথায়। তিনি যেখানেই লড়াই করবেন, সেটাই তাঁর কেন্দ্র। সেখান থেকেই জিতবেন, দল তা জানে। দলের প্রয়োজনে তিনি সেখানে গিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Dilip Ghosh

যে কেন্দ্রে সারা বছর থাকেন, সেখান থেকেই সরিয়ে দেওয়া হল! এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপিকে গ্রামে গঞ্জে নিয়ে গিয়েছেন তিনিই। দল নির্বাচনে লড়াই করতে বলেছে, লড়াই করেছেন। এখন যেখানে লড়াই করতে চলছে, সেখানে লড়াই করছেন। সারা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও আসনে জিততে পারি, তা করে দেখিয়েছি, এবারও তাই হবে। এদিন এই প্রত্যয়ের সুর ছিল দিলীপ ঘোষের গলায়।

দল যে আসনে যাঁকে উপযুক্ত মনে করছে, বলছে নির্বাচনে লড়াই করতে। সব কর্মী আর সব প্রার্থীরা নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী করতে লড়াই করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেছেন, বাংলার জনতা বিজেপিকে জেতানোর জন্য সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে।

অর্জুন সিং, তাপস রায়রা তৃণমূল থেকে এসে তাঁদের পছন্দের কেন্দ্রে টিকিট পেয়ে গেলেন। কিন্তু দিলীপ ঘোষ পেলেন না। এব্যাপারে বিজেপির প্রাক্তান রাজ্য সভাপতি বলেন, তিনি দলের পছন্দে টিকিট পেয়েছেন। সন্দেশখালির রেখা পাত্রকে বসিরহাটের প্রার্থী করা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে রেখা পাত্র উঠে এসেছেন। তিনি বলেন, বসিরচহাটের মানুষ যে অত্যাচার সহ্য করেছেন, তার প্রতিবাদ হিসেবে তাঁরা রেখা পাত্রকে জেতাবেন বলে আশা করেন দিলীপ ঘোষ।

ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী না ঘোষণা করা সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন, নিশ্চয়ই কিছু কারণ রয়েছে। এছাড়াও সবার শেষে ভোট রয়েছে সেখানে। যাঁকে যোগ্য মনে হবে, দল তাঁকে দেখে নিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ক্যানিং পূর্বে বিজেপি নেতা কর্মীদের আক্রান্ত হওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, যত কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে, তৃণমূল তত ভয় পাচ্ছে। কারণ তৃণমূল হিংসার মাধ্যমে জয় পেতে চাইছে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা কর্মীদের উস্কে দিচ্ছেন, যাতে গণ্ডগোল হয়। তিনি মনে করেন, এটাই তৃণমূলের পতনের কিংবা অন্তর্জলী যাত্রার কারণ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রবিবারেই তিনি বলেছেন, যখন আরএসএস করেছেন, সেই সময় সাইকেলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গিয়েছেন। ২০১৬-তে তিনি খড়গপুরে সাতবারের বিধায়ক জ্ঞান সিং সোহনপালকে হারিয়েছিলেন। আর ২০১৯-এ মেদিনীপুর থেকে মানস ভুইঞাকে হারিয়েছিলেন। বারে বারে তিনি কঠিন প্রতিপক্ষকে হারিয়েছেন। তিনি কাউকেই ভয় পান না বলে জানিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+