প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেও লাভ হল না, ধাক্কা খেল বিজেপি
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খেল রাজ্য বিজেপি। নির্বাচনী বিজ্ঞাপন প্রচারে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেই বিজ্ঞাপন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার পালটা প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল বিজেপি।
প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যর এজলাসে শুনানির কথা ছিল এদিন। বিচারপতিরা জানিয়ে দেন সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না তাঁরা। তবে সিঙ্গেল বেঞ্চে ফের আবেদন করতে পারে বিজেপি।

বিজেপি সিঙ্গেল বেঞ্চে গিয়ে নির্দেশ প্রত্যাহারের আর্জি করতে পারে। অথবা ওই সিঙ্গেল বেঞ্চেই আদেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাতে পারে। এছাড়াও শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছু পর্যবেক্ষণ রেখেছেন এদিন।
যে কোনও বিজ্ঞাপনের একটা লক্ষ্মণরেখা থাকা দরকার। শুনানি চলাকালীন সেই কথাই বললেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। আদর্শ আচরণবিধি মানে পোস্টার, ব্যানার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিমানবন্দরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ প্রধান বিচারপতির আক্ষেপ, তাঁর বাড়ির উলটো দিকে মালা রায়ের দেওয়াল লিখন এক বছর ধরে রয়েছে।
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাইছে বিজেপি৷ বিভিন্ন মাধ্যমে গেরুয়া শিবিরের বিজ্ঞাপন চলছে। চলতি মাসে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল৷ বিজেপি অবমাননামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। এই দাবি রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ থেকে করা হয়৷ নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়৷ কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি তৃণমূলের।
এরপরেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যর এজলাসে মামলা দায়ের হয়। তৃণমূলকে চোর বলা, আর রাজ্য সরকার সনাতন ধর্ম বিরোধী মূলত এই দুটি বিজ্ঞাপনী প্রচার নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলেছিল তৃণমূল। বাংলার মানুষের উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এই কথাও জানানো হয়।
বিচারপতি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে 'আনভেরিফায়েড' শব্দটি উল্লেখ করেছিলেন। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও সিঙ্গেল বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছিল। বিচারপতি ওই বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু সেখানেও সুবিধা হল না। দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।












Click it and Unblock the Notifications