Dibyendu Adhikari: এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের পাশে দিব্যেন্দু অধিকারী, সমস্যা সমাধানে আর্জি সরকারের কাছে
শনিবার এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলন ১ হাজার তম দিনে পড়ল। সকাল থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়ছিল। এক মহিলা চাকরি প্রার্থী মাথার চুল কেটে ফেলে প্রতিবাদ জানান, এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সর্বত্রই হৈ চৈ শুরু হয়ে যায়। বেলাগড়াতেই চাকরি প্রার্থীদের অবস্থান মঞ্চে আসেন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
এদিন বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকে মাথা মুড়িয়ে ফেলেন। তাঁদের মধ্যে রাসমণি পাত্র নামে মহিলাও রয়েছেন। অনেক পুরুষ চাকরিপ্রার্থী খালি গায়ে বিক্ষোভ দেখান। কাউকে কাউকে কাঁদতে দেখা যায়। শাসক এবং বিরোধীদের কাছে আন্দোলনকারী এক মহিলার কাতর আবেদন, কেউ শুনতে পাচ্ছেন? রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আপনারা সবাই আমাদের সমস্যার সমাধান করুন। আমাদের চাকরি দিন।

একইসঙ্গে তমলুকের সাংসদ বলেন, 'আমি ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি, এটার সঙ্গে রাজনীতির রঙ দেবেন না। এটার সঙ্গে আমাদের সবার সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। সহানুভূতিশীল হয়ে যতটুকু মানবিক দিকটা দেখানো দরকার ততটাই দেখানো উচিত বলে আমি মনে করি। আমি আবেদন রাখব আমাদের সরকারের কেছ, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সমস্যা সমাধানের।'
শীতকালে জামা খুলে পুরুষ আন্দোলনকারীরা খালি গায়ে প্রতিবাদে সামিল হন। তাঁদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী একবার আসুন আমাদের অবস্থাটা নিজের চোখে দেখুন। আন্দোলনকারী রাসমণি পাত্র বলেন, 'আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে আন্দোলন করছি, সমাজের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা এগিয়ে আসুন, আমাদের নিয়োগের কথা উঠলেই কোর্ট দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের এত টাকা পয়সা নেই কোর্টে মামলা লড়ার।'
শনিবার বিকেল ৩.৩০ মিনিট নাগাধ ধর্মতলায় চাকরি প্রার্থীদের ধরনা মঞ্চে যান তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি সেখানে যাওয়া মাত্রই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। শাসক দলের এই নেতাকে দেখা মাত্রই চোর ধরো জেলে ভরো স্লোগান তুলতে থাকেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি। কুণাল ঘোষ ধরনা মঞ্চ থেকেই শিক্ষামন্ত্রীকে ফোন করেন।
শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা আন্দোলন অবস্থান জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাদের নায্য টুকুর জন্য। রাজনীতির উর্দ্বে উঠে সমস্যার সমাধানই কাম্য।












Click it and Unblock the Notifications