চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনে অবরুদ্ধ থাকল ধর্মতলা, বিকাশ ভবনের সামনে তুলকালাম
আজ ব্যস্ত সময়ে দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে থাকল ধর্মতলা এলাকা। আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখালেন। চাকরির দাবিতে অবরোধও করা হয়। ধর্মতলার রাস্তায় বল খেলা হয়।
আজ ১২ ফেব্রুয়ারি আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের পক্ষ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মাতঙ্গিনী হাজরা পাদদেশ থেকে ধর্মতলা ওই চ্যানেল অবধি আসে। হঠাৎই জরিনা ক্রসিংয়ের সামনে পথ অবরোধ করে। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

সেখানে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পৌঁছান। কথাবার্তা হয় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত তাদের সেখানে দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
অন্যদিকে সল্টলেক বিকাশ ভবনের সামনেও সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সেখানেও চাকরি প্রার্থীরা অবস্থান বিক্ষোভ করে। ২০২২সালের প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থীরা বিকাশ ভবন অভিযান করে। বিকাশ ভবনের গেটের সামনে তারা পৌঁছে যায়।
সেন্ট্রাল পার্ক মেট্রো স্টেশনে তারা নামার পরই বিধাননগর পুলিশ আটকে দেয়। এরপরই রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। সিঁড়ির উপরও অনেক চাকরি প্রার্থী বসে থাকেন। পুলিশ তাদের জোর করে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নিয়ে যায় ঘটনাস্থল থেকে। বেশ কিছু সময় পরিস্থিতি এমনই উত্তেজিত ছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
আজ ১২ ফেব্রুয়ারি সুমো ওয়ার্কার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া পশ্চিমবঙ্গ এবং আশা কর্মী পশ্চিমবঙ্গ পুর স্বাস্থ্য কর্মী কন্ট্রাকচুয়াল ইউনিয়নের এবং আইসিডিএস কর্মীদের পক্ষ থেকে কর্মসূচি হয়। বিধানসভা চলো অভিযান কর্মসূচি নেওয়া হয়।
ধর্মতলা হোয়াইট চ্যানেলে পৌঁছে পথ অবরোধ করা হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে এই বিক্ষোভ চলে। বিশাল যানজট তৈরি হয় ধর্মতলা চত্বরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতা পুলিশের উচ্চ ও পদস্থ অফিসাররা যান। সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয় আধিকারিকদের। কিন্তু পথ অবরোধ, বিক্ষোভ তুলতে রাজি হয়নি তারা। পরে তারা অবরোধ তুলে নেয়। এদিন বেলা থেকে বিভিন্ন সময় ধর্মতলা চত্বরে যানজট দেখা যায়। যদিও দুপুরের পর পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আসে৷












Click it and Unblock the Notifications