মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি'র ঢিল ছোঁড়া দূরত্বেই জোড়া খুন! উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী'র রক্তাক্ত মৃতদেহ
কলকাতার বুকে নৃশংস হত্যা-কাণ্ড। ভবানীপুরের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দুই মৃতদেহ। মৃত্যু দুই ব্যক্তি স্বামী এবং স্ত্রী বলে জানা যাচ্ছে। ভর সন্ধ্যায় এহেন ঘটনায় শিউরে উঠেছে শহরবাসী। সবথেকে বড় ব্যাপার এহেন ঘটনা
কলকাতার বুকে নৃশংস হত্যা-কাণ্ড। হরিশ মুখার্জি রোডের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দুই মৃতদেহ। মৃত্যু দুই ব্যক্তি স্বামী এবং স্ত্রী বলে জানা যাচ্ছে। ভর সন্ধ্যায় এহেন ঘটনায় শিউরে উঠেছে শহরবাসী। অন্যদিকে চাঞ্চল্যকর এহেন ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির একেবারে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন কলকাতা পুলিশ কমিশন বিনীত গোয়েল।

৪০০ মিটার দূরে গিয়ে থমকালো পুলিশ কুকুর
কীভাবে ঘটনা সমস্ত দিকগুলি এই মুহূর্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে। ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে পুলিশ কুকুরও। পুরো এলাকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে পুলিশ কুকুর ঘটনাস্থল থেকে ৪০০ মিটার দূরে গিয়ে থমকে গিয়েছে। আর সেখানেরই সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। তদন্তকারীরা মনে করছেন আততায়ীরা ওই এলাকার পরে সম্ভবত গাড়ি করে পালিয়েছে

ভবানীপুরের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা।
অশোক শাহ এবং তাঁর স্ত্রী রশ্মিতা শাহ। ভবানীপুরের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও একাধিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের একটাই কন্যা সন্তান। যদিও ঘটনার সময়ে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। কিন্তু বাড়িতে ফিরে দেখেন ঘরের দরজা একেবারে হাট করে খোলা। এমনকি দরজার কাছেই রক্তাক্ত অবস্থায় মায়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে মেয়ে। এমনকি কিছুটা এগোতেই বাবা'র দেহও উদ্ধার হয়। কার্যত এহেন হাড়হিম ঘটনা দেখে চমকে ওঠেন সে। এরপরেই ভবানীপুর থানায় পুরো বিষয়টি জানানো হয়।

পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা
পুলিশ মনে করছে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। ফ্ল্যাটের মধ্যে আলমারির দরজা খোলা ছিল। এমনকি টিভি চলছিল। এমনকি টেবিলে খাবারও পড়ে ছিল পুলিশ সূত্রে খবর। ফলে বড়সড় ডাকাতি করতেই কি আততায়ীরা এসেছিল? জানা যাচ্ছে, রশ্মিতা শাহের হাতে এবং আঙুলে কোনও আংটি কিংবা বালা নেই। যদিও এই মুহূর্তে বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন না পুলিশের তদন্তকারীরা। যদিও পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

গুলি চালিয়ে খুন?
একেবারে ভিভআইপি জোনে ভর সন্ধ্যায় এই ঘটনা! তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এমনকি রীতিমত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় মানুষজনও। যদিও ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পউছয়ন ফিরহাদ হাকিম। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়ের স্ত্রী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ফিরহাদ জানিয়েছেন, পুলিশের তদন্তে ভরসা রাখুন। দোষী কখনই রেহাই পাবেন না। তবে রাজ্যের মন্ত্রীর দাবি, গুলি করে নাকি খুন করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে দাবি। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময়ে আততায়ীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছে। আর এরপরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications