Cyclone Dana: দানার আগমনে সতর্ক কলকাতা, ১৪ ফুট উঁচুতে বইবে গঙ্গার জল!
অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানা (Cyclone Dana) ক্রমশ এগিয়ে আসছে স্থলভাগের দিকে। বাংলার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উপকূলীয় এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব পড়বে। গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের উপরেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব থাকবে। শহর কলকাতাতেও দানার প্রভাব যথেষ্ট দেখা যাবে। এমনই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
গঙ্গার জলতল এক লহমায় অনেকটাই বেড়ে যাবে। আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে। আজ বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি হবে কলকাতায়। রাত থেকে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাব মালুম হবে। মধ্য রাতে সেটি স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। সেই সময় কলকাতাতেও প্রভাব পড়ার সম্ভবনা থাকছে। বৃষ্টির পরিমাণও অনেকটাই বাড়বে তার ফলে।

আগামী কাল শুক্রবার গঙ্গা নদীতে জলের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যাবে। এই বার্তা আগেভাগে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৪ ফুট উচ্চতা বাড়বে গঙ্গার জলের। ২৫ তারিখ সকাল ৬ টা ৪৩ মিনিটে গঙ্গার জলস্তর হবে ৪.২৪ মিটার (১৩.৯১ ফুট)।
তারও আগে আজ দুপুর থেকেই জলতলের উচ্চতা বাড়বে গঙ্গায়। এদিন বিকেলে ৫ টা ৫০ মিনিটে গঙ্গার জলস্তর হবে ৪.০৪ মিটার। অর্থাৎ ১৩.২৫ ফুট উঁচুতে বইবে গঙ্গার জল। গঙ্গার ঘাটের ধারের লকগেটগুলি এদিন দুপুর সাড়ে তিনটের পর বন্ধ করে দেওয়া হবে। রাত আটটার পর লকগেট খোলা হবে। আবার শুক্রবার গঙ্গার ঘাটের ধারের লকগেটগুলি ভোর সাড়ে চারটে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। সকাল নটা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সেগুলি।
গঙ্গা নদীতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জল পুলিশের তরফ থেকে একাধিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে৷ নৌকা, লঞ্চগুলিকে ভালো করে বেঁধে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ফেরিঘাট গুলিতে। যাতে কোনও বড় ঘটনা ঘটে, সেদিকে প্রতি মুহূর্তে নজর রাখা হচ্ছে।
কলকাতার উপর দিয়ে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তার সঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণও যথেষ্ট হবে। ফলে শহরের বিভিন্ন অংশে জল জমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতেই পারে। লকগেট বন্ধ থাকার কারণে জল বেরোতে পারবে না। ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপে শহরের বিভিন্ন অংশে গাছ পড়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা থাকছে। পুরনো বিপজ্জনক বাড়িগুলির দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
কোনও বড় অঘটন যাতে না ঘটে৷ সেই দিকে আগাম সর্তকতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে একাধিক বার জনসাধারণের জন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে। কলকাতা পুরসভায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এখান থেকে প্রতি মুহূর্তে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরাও সজাগ রয়েছে সব সময়।












Click it and Unblock the Notifications