এক পা এগিয়েও দু-পা পিছিয়ে যাচ্ছে জোট, শরিকদের মানভঞ্জনই চ্যালেঞ্জ সিপিএমের
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কি তাহলে বিধানসভার পন্থাই অনুসরণ করতে চলেছে কংগ্রেস ও সিপিএম? এখন এই প্রশ্নটাই ঘুরে ফিরে আসছে রাজ্য রাজনীতিতে।
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কি তাহলে বিধানসভার পন্থাই অনুসরণ করতে চলেছে কংগ্রেস ও সিপিএম? এখন এই প্রশ্নটাই ঘুরে ফিরে আসছে রাজ্য রাজনীতিতে। কংগ্রেস ও সিপিএম জোট গড়েই লড়তে চলেছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে- এ সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছে দুই দল। এখন শুধু শরিকদের বোঝানোর পালা।

এক পা এগিয়ে দু-পা পিছনো
কংগ্রেস জোট করতে আগ্রহী, এ কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সিপিএম সিদ্ধান্ত নিতে সংশয় করছে। বিশেষ করে বাম শরিকদের আপত্তিতে সিপিএম এক পা এগিয়ে দু-পা পিছিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। তবে বিশেষ সূত্রে খবর কংগ্রেস ও সিপিএম উভয়েই ঐক্যমত্য হয়েছে জোট গড়ার ব্যাপারে।

কোন অঙ্কে জোট-বার্তা
তাহলে কোন অঙ্কে এই জোট হতে চলেছে? সিপিএম আপাতত স্থির করেছে শরিকদের না চটিয়েও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বজায় রাখতে। তা করতে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতেও তৈরি সিপিএম। সম্প্রতি আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে শরিকদের নিয়ে বৈঠকের পর বড় শরিক সিপিএম অঙ্ক কষে ফেলেছে।

শরিকদের ভাগে হাত নয়
সিপিএম স্থির করেছে, শরিকদের ভাগের আসনে তারা হাত দেবে না। ২০১৪ সালের নির্বাচনে সিপিএম যে সমস্ত আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তা থেকেই কংগ্রেসকে আসন ছেড়ে দেবে সিপিএম। শরিকরা কী করবে, সে ব্যাপারে অবশ্য নাক গলাতে চাইছে না তারা।

শরিকরা গোঁ-এ জোটে জট
শরিকরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট আগ্রহী নয়। সেইজন্য বামফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএম বৈঠকে বসে অন্যান্য শরিকদের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকে সমাধান সূত্র মেলেনি। আরএসপি তাদের গোঁ ধরে বসে আছে। তারা কিছুতেই বহরমপুর আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়তে নারাজ। ফরওয়ার্ড ব্লক আবার চাইছে, কোথাও যেন না লেখা হয় বাম-কংগ্রেস জোটের কথা।

মান ভাঙাতে হবে সিপিএমকেই
এই অবস্থায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সাফ বার্তা শরিকি দ্বন্দ্ব মেটাতে হবে সিপিএমকেই। সিপিএম স্থির করেছে ফের ২৫ ফেব্রুয়ারি বৈঠকে বসবে নেতৃত্ব। সেখানে শরিকদের মান ভাঙানোর চেষ্টা করা হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কংগ্রেস ৪টি আসনে জয়ী হয়, সিপিএম যেতে ২টি আসন।












Click it and Unblock the Notifications