লোকসভার জোট-সমীকরণ পাকা! কার ভাগে কত আসন, একনজরে সম্ভাব্য পরিসংখ্যান
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় জোটের পথেই এগোচ্ছে কংগ্রেস ও সিপিএম। রাজ্য রাজনীতিতে জোটকে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে সিপিএম স্বার্থত্যাগ করতেও রাজি।
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় জোটের পথেই এগোচ্ছে কংগ্রেস ও সিপিএম। রাজ্য রাজনীতিতে জোটকে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে সিপিএম স্বার্থত্যাগ করতেও রাজি। শরিকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর সিপিএম একপ্রকার স্থির করে ফেলেছে, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাঁরা জোটের পথেই হাঁটবে বলে নিশ্চিত। বাম-শরিকরা এই জোটে সামিল হলে তা হবে সোনায় সোহাগা।

কোন অঙ্কে এই জোট?
কোন অঙ্কে এই জোট হতে চলেছে? সিপিএম আপাতত স্থির করেছে শরিকদের না চটিয়েও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বজায় রাখতে। তা করতে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতেও তৈরি সিপিএম। সম্প্রতি আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে শরিকদের নিয়ে বৈঠকের পর বড় শরিক সিপিএম অঙ্ক কষে ফেলেছে।

সিপিএমের সমীকরণ
সিপিএম স্থির করেছে, শরিকদের ভাগের আসনে তারা হাত দেবে না। ২০১৪ সালের নির্বাচনে সিপিএম যে সমস্ত আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তা থেকেই ১৩টি আসন কংগ্রেসকে ছেড়ে দিতে পারে সিপিএম। শরিকরা কী করবে, সে ব্যাপারে অবশ্য নাক গলাতে চাইছে না তারা।

শরিক মন রেখে কংগ্রেসের পাশে
সিপিএমের অঙ্ক অনুযায়ী, শরিকদের তিনটি করে আসন ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ফরওয়ার্ড ব্লক, সিপিআই ও আরএসপি তিনটি করে ৯টি আসনে প্রার্থী দেবে। বাকি ৩৩-এর মধ্যে সিপিএম ২০টি ও কংগ্রেস ১৩টি আসনে প্রার্থী দেবে।

শরিকদের ভাগে হাত নয়
সিপিএম স্থির করেছে, শরিকদের ভাগের আসনে তারা হাত দেবে না। ২০১৪ সালের নির্বাচনে সিপিএম যে সমস্ত আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তা থেকেই কংগ্রেসকে আসন ছেড়ে দেবে সিপিএম। শরিকরা কী করবে, সে ব্যাপারে অবশ্য নাক গলাতে চাইছে না তারা।

কংগ্রেসের বার্তা সিপিএমকেই
এই অবস্থায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সাফ বার্তা শরিকি দ্বন্দ্ব মেটাতে হবে সিপিএমকেই। সিপিএম স্থির করেছে ফের ২৫ ফেব্রুয়ারি বৈঠকে বসবে নেতৃত্ব। সেখানে শরিকদের মান ভাঙানোর চেষ্টা করা হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কংগ্রেস ৪টি আসনে জয়ী হয়, সিপিএম যেতে ২টি আসন।












Click it and Unblock the Notifications