করোনাভাইরাস আতঙ্ক, চিন থেকে খেলনা আমদানি বন্ধ, উদ্বেগে শহরের বিক্রেতারা
বাংলার খেলনা বাজারের অধিকাংশ খেলনাই আমদানি হয় চিন থেকে। কিন্তু সম্প্রতি এই দেশে করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার ফলে খেলনা আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কলকাতার খুচরো ও ছোট খেলনা বিক্রেতাদের মাথায় তাই হাত পড়েছে। কারণ কিছুদিনের মধ্যেই খেলনার স্টক ফুরিয়ে যাবে আর চিন থেকে ৮০ শতাংশ খেলনা আসে বাংলার বাজারে।

শহরের ব্যবসা ক্ষেত্র বলে পরিচিত ক্যানিং স্ট্রিটের পাইকারি বাজারের পাইকারি বিক্রেতা হিয়াতুল্লাহ খান বলেন, 'করোনাভাইরাসের জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য খেলনার আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রধান মরশুম তো মার্চ–এপ্রিল থেকে শুরু হয়, সেই সময় মেলা সহ অন্য সামাজিক অনুষ্ঠানগুলি হয় রাজ্যজুড়ে যা চলে দিওয়ালি পর্যন্ত। এমনিতেই কেন্দ্রীয় বাজেটে আমদানি করা খেলনার ওপর বহিঃশুল্ক চাপিয়ে দেওয়ার ফলে খেলনা শিল্প এমনিতেই বেশ ক্ষতিগ্রস্ত, তার ওপর করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।’ কলকাতায় ৩০ হাজার এবং গোটা রাজ্য জুড়ে এক লক্ষেরও বেশি মানুষ এই খেলনা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
বিহার চেম্বার অফ কর্মাসের প্রেসিডেন্ট পিকে আগরওয়াল জানিয়েছেন যে ৪০ শতাংশ চিনা খেলনা ও মোবাইলের ওপর এই প্রভাব পড়েছে। কলকাতার ফ্যান্সি মার্কেটের এক ব্যবসায়ী শেখ জামাল বলেন, 'একমাস আগেও একটা খেলনার দাম ছিল ১২০০ টাকা, কিন্তু এখন তার দাম ১৮০০। কারণ সকলেই ভয় পাচ্ছেন যে আর দু’মাস বাদে খেলনার ব্যবসায় সেভাবে লাভ হবে না।’
ডিসেম্বর থেকেই মধ্যপ্রদেশের পাইকারি বাজারে চিনের পিচকারি ও বেলুন ঢোকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এক পাইকারি বিক্রেতা তুলসি রামরাখানি বলেন, 'আমাদের বলা হয়েছে যে চিনা পণ্য সহ অন্য জিনিসগুলি করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের কারণে ভারতীয় বন্দরগুলিতে ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে।’












Click it and Unblock the Notifications