করোনা আতঙ্কে দিন কাটছে সোনাগাছির, খদ্দের কমে যাওয়ায় বাড়ি ভাড়া ও অন্নসংস্থান সবই অনিশ্চয়তায়
রাতের শহর যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন ব্যস্ততা বাড়ে চিত্তরঞ্জন এভিনিউ, দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রীট, রবীন্দ্র সরণির অলিগলিতে।
রাতের শহর যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন ব্যস্ততা বাড়ে চিত্তরঞ্জন এভিনিউ, দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রীট, রবীন্দ্র সরণির অলিগলিতে। এই অংশগুলোই এক সঙ্গে সোনাগাছি নামে পরিচিত। এই এলাকায় ১০ থেকে ১২ হাজার যৌণ কর্মীর বাস। প্রতিদিন এই এলাকায় হাজার হাজার খদ্দেরের যাতায়াত রয়েছে। কিন্তু দোলের পর থেকে সোনাগাছিতে খদ্দেরের সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। করোনা আতঙ্কে সোনাগাছি মুখো হচ্ছে না অধিকাংশ খদ্দের। এমন চলতে থাকলে না খেতে পেয়ে মরতে হবে ১২ হাজার যৌণ কর্মী ও তার পরিবারকে। তাই করোনা আতঙ্কে দিন কাটছে সোনাগাছির।

জানা গিয়েছে, সোনাগাছিতে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ হাজার খদ্দেরের যাতায়াত রয়েছে। কিন্তু দোলের পর থেকেই সেই সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কমে গিয়েছে। খদ্দের কমে যাওয়ায় পরিবারকে টাকা পাঠানোর পরিমাণ কমে গিয়েছে। খদ্দের না থাকায় একদিকে যেমন আয় কমেছে যৌণ কর্মীদের। অন্যদিকে, আয় কমেছে দালালদেরও। এমনিতেই রূপান্তরকামী যৌণ কর্মীর আয় কম। তার ওপর এই অবস্থায় অথৈ জলে পড়েছেন তারা।
দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, সোনাগাছির যৌনকর্মীদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সম্পর্কে সচেতন করতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সচেতনতাও। যাদেরকে দেখে অসুস্থ মনে হচ্ছে তাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে আবদ্ধ না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দুর্বার সমন্বয় কমিটির তরফ থেকে। পাশাপাশি, সচেতনতার জন্য প্রশাসনের তরফেও একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লাগানো হয়েছে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার।
কিন্তু সচেতনতাই সার। কারণ পেট বড় বালাই। তাই পেশার তাগিদে অনেকেই এই সচেতনতাকে ভ্রুক্ষেপ করছেন না। সংক্রমণের ভয় থাকলেও কাজে নামতে হচ্ছে সকলকে। ইতিমধ্যেই খদ্দের কমে যাওয়ার আতঙ্ক ছাপিয়ে গিয়েছে করনা সংক্রমনের আতঙ্কেও।












Click it and Unblock the Notifications