RG Kar Hospital: মুখ্যমন্ত্রী-পুলিশ কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসের অভিযান! ধুন্ধুমার লালবাজারে
RG Kar Hospital Doctor Death: আরজি করের ঘটনায় উত্তাল শহর কলকাতা। বিচারের দাবিতে প্রত্যেকদিনই একের পর এক মিছিল-বিক্ষোভ হচ্ছে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার লালবাজার অভিযানের ডাক দেওয়া হয় কংগ্রেসের তরফে। আর সেই মিছিল ঘিরে একেবারে ধুন্ধুমার কাণ্ড।
কংগ্রেস নেতা সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আন্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য সহ একাধিক শীর্ষ প্রদেশ কংগ্রেস নেতাকে ইতিমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। আর এরপরেই রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন কংগ্রেস নেতারা। লালবাজারের সামনের গেট আটকে চলছে এই বিক্ষোভ (RG Kar Hospital Doctor Death) ।

নেতৃত্বের একটাই দাবি, রাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ করা উচিৎ। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্গত্যাগের দাবি জানানো হচ্ছে। যা নিয়ে একেবারে উত্তাল পরিস্থিতি।
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে বিচার চেয়ে লালবাজার অভিযানের ডাক দেয় প্রদেশ কংগ্রেস। আর সেই মিছিল রুখতে পাল্টা পুলিশের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মিছিল যাতে কলকাতা পুলিশের সদর দফতর লালবাজার না পৌঁছতে পারে সেজন্য কার্যত গোটা এলাকাকে দুর্গে পরিনত করেছিল।
একের পর এক রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়। কিন্তু কংগ্রেসের মিছিল লালবাজার পৌঁছতেই পুলিশের তরফে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। যা নিয়ে একেবারে রণক্ষেত্র বেঁধে যায়। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে কংগ্রেস নেতা-করমীরা এগোতে শুরু করে। যা সামাল দিতে একেবারে হিমশিম অবস্থা হয় পুলিশের।
যদিও পাল্টা পুলিশের তরফে বলপ্রয়োগ শুরু হয়। কংগ্রেস নেতা সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আন্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য সহ একাধিক শীর্ষ প্রদেশ কংগ্রেস নেতাকে ইতিমধ্যে আটক করে পুলিশ। আরত এরপরেই অবস্থান বিক্ষোভে বসে যান অন্যান্য নেতারা।
#WATCH | West Bengal: Congress workers protest in Kolkata over the rape-murder of a doctor at RG Kar Medical College and Hospital here.
— ANI (@ANI) August 21, 2024
Police detain the protestors. pic.twitter.com/Rw1eoizCsL
গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। তা নিয়ে একেবারে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
তিনি বলেন, জঘন্যতম ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবাদ তো হওয়াই উচিত। আব্দুল মান্নান বর্ষীয়ান নেতা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতাও ছিলেন। তাঁর কী এই ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর অধিকার নেই? প্রশ্ন বিজেপি নেতার। মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য তাঁর।
বলে রাখা প্রয়োজন, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আজ বুধবার টানা পাঁচদিন ধর্নায় বসেছে বিজেপি। শ্যামবাজারে এই ধর্সনা চলছে।












Click it and Unblock the Notifications