আরও এক জেলা পরিষদ বিরোধীশূন্য! তৃণমূল কংগ্রেসে শুভেন্দুর স্বপ্নপূরণের অপেক্ষা
এবার মুর্শিদাবাদ জেলাও বিরোধীশূন্য হওয়ার পথে। আসন্ন ২১ জুলাইয়ের সমাবেশেই মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদে বিজয়ী একমাত্র কংগ্রেস প্রার্থী যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
বীরভূম-সহ ১১টি জেলা পরিষদ বিরোধীশূন্য করে ছেড়েচে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার পঞ্চায়েত ভোটে কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছিল মুর্শিদাবাদ-সহ আরও চারটি জেলা। তার মধ্যে হাওড়া ও কোচবিহারে আগেই বিরোধী শূন্য হয়ে গিয়েছিল। এবার মুর্শিদাবাদ জেলাও বিরোধীশূন্য হওয়ার পথে। আসন্ন ২১ জুলাইয়ের সমাবেশেই মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদে বিজয়ী একমাত্র কংগ্রেস প্রার্থী যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

অধীর চৌধুরীর খাসতালুকে সিংহভাগ কংগ্রেস সদস্যকে ভাঙিয়ে আগেই কংগ্রেসি গড়ের এই জেলা পরিষদের ক্ষমতা দখল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেস ঝড়ের কাছে খড়কুঁটোর মতো উড়ে যায় অধীর চৌধুরীর কংগ্রেসও। মাত্র একটি আসনে জয়লাভ করেন কংগ্রেস প্রা্র্থী। এবার সেই প্রার্থীও অধীরের হাত ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যাওয়ার রাস্তায় নেমে পড়লেন।
মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা জেলা পরিষদ আসনে কংগ্রেসের টিকিটে বিজয়ী হয়েছিলেন আসিফ ইকবাল। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন শীঘ্রই। পঞ্চায়েত ভোটের আগেই পরিবহনমন্ত্রী তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের তৃণমূল পর্যবেক্ষক বিরোধীশূন্য জেলা পরিষদের বার্তা দিয়েছিলেন। তবে আগে না হলেও পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল বের হওয়ায় দেড় মাসের মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর স্বপ্নপূরণ হল।
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের ৭০টির মধ্যে একটিতে জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। ভোট হয়েছিল মাত্র ২৪টি আসনে। ২৩টি আসনে জয়ী হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এখন বাকি একমাত্র আসনটিও তৃণমূলের দখলে চলে যাচ্ছে। এই জেলা পরিষদের ৪৮টি আসনে কোনও ভোট হয়নি। এই অবস্থায় সবেধন নীলমণি জেলা পরিষদ সদস্য তৃণমূলে যোগ দিলেও এই জেলা পরিষদকে বিরোধীশূন্য বলতে নারাজ কংগ্রেস নেতৃত্ব। তার কারণ কংগ্রেস মনে করে এখানে ভোট হয়নি। প্রকৃত অর্থে ভোট হলেই আমূল পরিবর্তন হয়ে যাবে পঞ্চায়েত ফলের।












Click it and Unblock the Notifications