মোদীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ-জারি মমতার, মাও অধ্যুষিত জেলায় বরাদ্দ নিয়ে সংঘাত চরমে
কেন্দ্র সরকার সম্প্রতি মাও অধ্যুষিত জেলায় বরাদ্দ করেছে। কিন্তু সেই বরাদ্দের পরিমাণ অতি সামান্য পরিমাণ বলে অভিযোগ মমতার সরকারের। ওই টাকায় পিছিয়ে পড়া জেলায় কোনও উন্নয়নই সম্ভব নয়।
ফের কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতে জড়াচ্ছে রাজ্য। এবার লড়াই মাও অধ্যুষিত জেলায় কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে। কেন্দ্র সরকার সম্প্রতি মাও অধ্যুষিত জেলায় বরাদ্দ করেছে। কিন্তু সেই বরাদ্দের পরিমাণ অতি সামান্য পরিমাণ বলে অভিযোগ মমতার সরকারের। ওই টাকায় পিছিয়ে পড়া জেলায় কোনও উন্নয়নই সম্ভব নয়। তাই ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে চলেছে। শীঘ্রই রাজ্যের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে এর কড়া জবাব দেওয়া হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকার দেশের পিছিয়ে পড়া জেলায় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ ঘোষণা করেছে। দেশের ১১৫টি জেলা এই তালিকায় রয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মাও অধ্যুষিত পাঁচ জেলা রয়েছে। কিন্ত এই জেলাগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র এক কোটি টাকা করে। এখানেই তীব্র আপত্তি তুলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ওই টাকা 'হোমেও আসবে না যজ্ঞেও আসবে না' বলে দাবি নবান্নের শীর্ষ আধিকারিকদের।
মঙ্গলবারই নবান্নে এসে পৌঁছয় কেন্দ্রের চিঠি। সেই চিঠিতে কেন্দ্র জানায় 'নিউ ইন্ডিয়া ২০২২' প্রকল্পের আওতায় প্রতি জেলায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। তারপরই রাজ্যের তরফে একটি বৈঠক সংগঠিত হয় নবান্নে। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রের দেওয়া ওই ভিক্ষাস্বরূপ বরাদ্দ নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সংঘাতের পথেই হাঁটবে তাঁরা। চিঠি দিয়েই তাঁদের আপত্তির কথা জানানো হবে। শীঘ্রই সেই চিঠি পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে নবান্ন সূত্রে।
উল্লেখ্য, গোটা দেশের পিছিয়ে পড়া জেলার জন্যই এই বরাদ্দ করা হয়েছে। ১১৫টি জেলার মধ্যে রাজ্যের দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম-সহ পাঁচ জেলা রয়েছে। এই জেলাগুলির উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের তরফে একজন মনিটরিং অফিসারও রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তও মানতে নারাজ রাজ্য। তাই এবার সরাসরি সংঘাতের পথেই হাঁটা শুরু করে দিল রাজ্য সরকার।












Click it and Unblock the Notifications