মমতাকে আক্রমণ করলে রাজ্যপালকে ছাড়বে না তৃণমূল, নজিরবিহীন নিশানা পার্থর
ফের একবার রাজ্যপালের প্রতি আক্রমণ জারি রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পরিষদীয় দলনেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় দলের তরফে রাজ্যপালকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি এহেন আচরণের জন্য প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বসিরহাটের এক অশান্তিকে কেন্দ্র করে ঘোর অশান্তি বেঁধে গিয়েছে রাজ্যের দুই সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদাধিকারীর মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী, দুজনেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে ব্যস্ত।
মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবারই বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, রাজ্যপাল বিজেপি ব্লক সভাপতির মতো কথা বলছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে চূড়ান্ত অপমান করেছেন ও ফোনে হুমকি দিয়েছেন। এই ঘটনার পর রাজ্যপালও পাল্টা বিবৃতি দিয়ে জানান, এমন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। রাজ্যপাল হিসাবে নিজের কর্তব্য পালন করেছেন মাত্র।

এই ঘটনার পর রাত পোহাতে না পোহাতেই ফের একবার রাজ্যপালের প্রতি আক্রমণ জারি রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পরিষদীয় দলনেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় দলের তরফে রাজ্যপালকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি এহেন আচরণের জন্য প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যপালের আচরণ অনভিপ্রেত। তিনি যে স্বরে হুমকি দিয়েছেন তার প্রতিবাদ করছি। রাজ্যপাল বলেছেন "তোমার দলকে সামলাও"। তিনি এভাবে কথা বলতে পারেন না। উনি কি সুপ্রিম কোর্টের রায় জানেন না? উনি কি বিজেপির মুখপাত্র? রাজ্যপাল এভাবে হুমকি দিতে পারেন না।
এখানেই না থেমে পার্থ বলেন, আমরা কোনও দলের পক্ষ নিচ্ছি না। চাইছি মানুষ শান্তিতে থাকুক। তবে রাজ্যপাল আমাদের চিঠির গুরুত্ব দেন না। বিজেপির কথা শুনে চলেন। এই ধরনের মানুষের রাজ্যপালের চেয়ারে বসা অসাংবিধানিক। রাজ্যপালের সীমাবদ্ধতা উনি জানেন না। রাজভবন বিজেপির আস্তানা নয়।
বসিরহাটের ঝামেলাকে কেন্দ্র করে যেভাব রাজ্যপাল কড়া ভাষায় শাঁসিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে তা তৃণমূল কোনওমতেই মানতে পারছে না। পার্থর কথায়, রাজ্যপাল কোনও সাহায্য করছেন না। এভাবে দোষারোপ করে মমতাকে রোখা যাবে না। আর মমতাকে আক্রমণ করলে তৃণমূল ছেড়ে কথা বলবে না বলেও এদিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications