বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুতে সিইএসসিকে কাঠগড়ায় তুলে বড় দাবি মমতার! শুভেন্দুর নিশানায় কে?
কলকাতায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে জলমগ্ন এলাকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন। বেশিরভাগই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বলে খবর। দুর্গাপুজোর মুখে এই ঘটনায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ধরনের দুর্ঘটনায় কাঠগড়ায় তুলেছেন সিইএসসিকে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দায়ী করেছেন বিদ্যুৎ দফতরের ব্যর্থতাকেই।

আজ একটি বেসরকারি চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই মৃত্যুর দায় সিইএসসিকে নিতে হবে। তারা জরুরি ভিত্তিতে কর্মীদের নামাক। এখানে ব্যবসা করছে, আর পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের কাজ করছে রাজস্থানে। এখানে কিছুই করছে না। বলতে বলতে মুখ ব্যথা হয়ে গিয়েছে।
মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এত মানুষ প্রাণ হারালেন এটা দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবার থেকে একজন করে সদস্যকে চাকরি দিতে হবে সিইএসসিকে। এটা পরিষ্কার বলছি। আমরাও দেখছি কতটা কী করা যায়।
সিইএসসি পাল্টা জানিয়েছে, জলমগ্ন এলাকাগুলিতে জলস্তর নিরাপদ অবস্থায় না আসা পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকবে। রাস্তার লাইটের পোল ও ট্রাফিক লাইট সিইএসসির আওতায় নয়। সকলকে নিরাপদে থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে। মানুষের অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশও করা হয়েছে সংস্থার তরফে।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফেসবুকে লেখেন, "মৃতদেহ ভাসছে জমা জলে, সকাল সকাল এই দৃশ্য দেখে মন খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু এই দুর্দশার জন্য দায় কার? এক রাতের বৃষ্টিতেই কলকাতা-সল্টলেক জলমগ্ন! ভাসছে শহর, বিপন্ন শহরবাসী, চরম দুর্ভোগ অফিস যাত্রীদের। আজকের দিনে যখন প্রযুক্তি এত উন্নত যে কখন বৃষ্টি হবে, কত পরিমাণে হবে তার আভাস আগেই পাওয়া যায় তখন কলকাতা ও বিধাননগর পুর নিগমের মেয়রদের অদক্ষতা আর উদাসীনতার ফল শহরবাসীকে ভোগ করতে হয়।
এরা পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে কোনো শিক্ষা নেননি, বারবার একই চিত্র বছরের পর বছর !বিদ্যুৎ দফতরের দোষ তো একেবারে মারাত্মক। আধিকারিকরা কোথায়? খোলা তারের এই বিপদের ব্যাপারে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? এখন অবধি সাতজন নিরীহ মানুষ মারা গেছেন। এটা আপনাদের ব্যর্থতা নয়, এটা অপরাধ, দোষ কার তা নির্ধারণ করে উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত।
বছরের পর বছর ধরে এই অব্যবস্থাপনায় মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। আর কত দিন এই অরাজকতা চলবে?"












Click it and Unblock the Notifications