বিধানসভায় পার্থকে পাশে নিয়ে শুভেন্দুকে নিশানা! পাল্টা মমতার 'দাদামনি'কে নিয়ে বিস্ফোরক বিরোধী দলনেতা
এখনও পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশে সব থেকে বেশি চাকরি গিয়েছে প্রাথমিকে। অভিযোগ আসছে আরও। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) বলেছেন, প্রাথমিকে চাকরি যেতে পারে অন্তত ১৭ হাজার জনের। এসএসসির নিয়োগ দুর্নীত
এখনও পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশে সব থেকে বেশি চাকরি গিয়েছে প্রাথমিকে। অভিযোগ আসছে আরও। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) বলেছেন, প্রাথমিকে চাকরি যেতে পারে অন্তত ১৭ হাজার জনের। এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এব্যাপারে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ভুল শোধরানোর আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কাজ করতে গেলে ভুল হতেই পারে।

ভুল সংশোধনে সময় দিতে হবে
মুখ্যমন্ত্রী এদিন নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন ১ লক্ষের মধ্যে ৫০ টা ভুল হয়ে থাকলে, তা শোধরাতে হবে। তিনি জানেন কাজ করতে গেলে ভুল হতে পারে। তবে তা সংশোধনের জন্য সময় দিতে হবে। তিনি বলেন,, সংশোধন করতে না পারলে তাঁকে যেন জেলে পাঠানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি সাড়ে ৫ হাজার চাকরির সুযোগ তৈরি করেছেন।

শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা
এই সময় মুখ্যমন্ত্রী নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, বিজেপির কেউ কেউ বলছেন সতেরো হাজার চাকরি যাবে। প্রসঙ্গত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীই বলেছিলেন, সবে তো ২৬৯ জনের চাকরি গিয়েছে, এবার ১৭ হাজার চাকরি যাবে। মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওই সতেরো হাজার কিন্তু তোমার বাড়িতে গিয়ে বসে থাকবে।

শুভেন্দুও চাকরি দিয়েছেন
বিজেপির নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে বলেন, তিনি জানেন কী ভাবে মেদিনীপুরে চাকরি হয়েছে। আপনি যাঁদের চাকরি দিয়েছেন, তাঁদের কী হবে, প্রশ্ন করেন শুভেন্দু অধিকারী। এই সময় মুখ্যমন্ত্রী সিবিআই-এর কথাও তোলেন।তিনি আরও বলেন, মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর এবং পুরুলিয়ায় যাঁদের চাকরি দিয়েছেন, তাঁদের কী হবে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ পুরুলিয়ার চাকরি মেদিনীপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সরকারে থেকেও করে খাবেন আবার বিজেপিতেও করে খাবেন, দাদামনি জবাব দেবেন কি?
প্রসঙ্গত বলে রাখা ভাল এর আগে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিদিমনি বলে সম্বোধন করেছেন। এটা তারই উত্তর কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি।

শুভেন্দুর জবাব
যে সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে দাদামনি বলেন, সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কিংবা অন্য বিজেপি বিধায়কদের কেউই বিধানসভায় ছিলেন না। বিধানসভার বাইরে শুভেন্দু অধিকারী এব্যাপারে বলেন, তাঁকে কেন দাদামনি বলছেন মুখ্য মন্ত্রী। তাঁকে ভাইসোনা বলা উচিত। তিনি (শুভেন্দু) তো মুখ্যমন্ত্রীর থেকে ১৭ বছরের ছোট। এরপর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর মনে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাদামনি বলতে চেয়েছেন। কালীঘাটে যাঁর রঙের দোকান ছিল আর এখন হাজার কোটির মালিক। তিনি বেআইনি পথে চাকরি দিয়েছেন প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার চ্যালেঞ্জও নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications