ভবানীপুরে জোড়া খুনে সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহজনক ২! উত্তরবঙ্গ থেকে সিপিকে ফোন মুখ্যমন্ত্রীর
ভবানীপুরে (Bhawanipur) মমতা-অভিষেকের (Mamata Banerjee-Abhishek Banerjee) বাড়ির খুব কাছেই গুজরাটি ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রীকে খুনের (murder) ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে। সূত্রের খ
ভবানীপুরে (Bhawanipur) মমতা-অভিষেকের (Mamata Banerjee-Abhishek Banerjee) বাড়ির খুব কাছেই গুজরাটি ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রীকে খুনের (murder) ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখান থেকে দুই সন্দেহজনককে চিহ্নিতও করা হয়েছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী এই খুনের ঘটনা নিয়ে উত্তরবঙ্গ থেকে কথা বলেছেন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে পুলিশ
ভবানীপুরে জোড়া খুনের পরে কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। রাতেই সেখানে যায় পুলিশ কুকুর। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে গিয়ে থেমে যায় পুলিশ কুকুর। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ঘরে মিলেছে গুলির খোল। ব্যবসায়িক কারণে খুন নাকি পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে অশোক শাহ এবং রশ্মিতা শাহের তিন মেয়ে। এক মেয়ে খড়গপুরে থাকেন। অপর মেয়ের বিয়ে হয়েছে এলাকাতেই।অন্যদিকে ছোট মেয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত। তবে খুনের সময় ছোট মেয়ে ঘরে ছিল না।

সিসিটিভি ফুটেজে দুই সন্দেহভাজন চিহ্নিত
সোমবার রাতেই পুলিশ এলাকার সব সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে। সেখান থেকে দুই সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশেই একটি নির্মীয়মান বাড়ি রয়েছে। সেখানকার মিস্ত্রিদের সঙ্গেও কথা বলেছে পুলিশ। ওই এলাকায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘুটিয়ারি শরিফ থেকে যেমন লোকেরা কাজে আসেন, আবার সেখানে কাজে যান উত্তর ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত এলাকা থেকেও। কীভাবেই বা অশোক শাহ এবং রশ্মিতা শাহ দরজা খুলে দিলেন, নাকি খোলা অবস্থাতেই আততায়ীরা ঢুকেছিল তা অবশ্য এখনও পরিষ্কার হয়নি। এদিন দুপুরে দুটি দেহেরই ময়নাতদন্ত করা হবে। পাশাপাশি ফরেনসিক দলও ঘটনাস্থলে যাবে বলে জানা গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর ফোন সিপিকে
সোমবার রাতেই মুখ্যমন্ত্রী হাসিমারা থেকেই ভবানীপুরের জোড়া খুনের খবর পান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানা গিয়েছে। সোমবার যেখানে খুন হয়েছে সেখান থেকেমুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি বড় জোড় ৪৫০ মিটার আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শান্তিনিকেতনের দূরত্ব তার থেকেও কম। যার জেরে এলাকার সাধারণ মানুষের মনে এই খুনের পর থেকে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।রাতে ঘটনাস্থলে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

কথা ভ্রাতৃবধূ-কাউন্সিলরের সঙ্গে
মুখ্যমন্ত্রী এই খুন নিয়ে কথা বলেন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই পাড়া খুবই শান্তিপূর্ণ। সেখানে এরকম কিছু ঘটছে, যা তাঁরা ভাবতেই পারছেন না। স্মরণ কালের মধ্যে সেখানে এরকম কিছু ঘটেনি বলেই জানিয়েছেন তিনি। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে বলেন, ঘটনাস্থলে যেতে। পাশাপাশি দোষীরা যে শাস্তি পাবে, তাও পরিবারের লোকেদের জানাতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাতে মুখ্যমন্ত্রী ওই জম্পতির ছোট মেয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন।












Click it and Unblock the Notifications