সিপিএমের হার্মাদরাই বিজেপির জল্লাদ! পঞ্চায়েতে খুনোখুনির রাজনীতিতে তোপ মমতার
সিপিএমের হার্মাদরাই এখন বিজেপির জল্লাদে রূপান্তরিত হয়েছে। ছাত্র-যুব সমাবেশ থেকে একযোগে সিপিএম ও বিজেপিকে একহাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সিপিএমের হার্মাদরাই এখন বিজেপির জল্লাদে রূপান্তরিত হয়েছে। ছাত্র-যুব সমাবেশ থেকে একযোগে সিপিএম ও বিজেপিকে একহাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী কলকাতার ছাত্র-যুব সমাবেশ থেকে বিজেপিকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, এতদিন যাঁরা সিপিএমের হার্মাদ হয়ে রাজ্যকে অশান্ত করেছে, আজ তাঁরাউই বিজেপির জল্লাদ হয়েছে।

রাজ্যে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে খুনোখুনির রাজনীতিতেও বিজেপির দিকে আঙুল তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি পাহাড়ে অশান্তি লাগিয়েছিল। এখন জঙ্গলমহলে দুটো আসন পেয়ে খুনোখুনি শুরু করে দিয়েছে। জঘন্য ষড়যন্ত্র চলছে, কুৎসা চলছে। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। মানুশকে একজোট হতে হবে।
তিনি ছাত্র-যুবদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন, বিজেপির ফেসবুক টুইটার পোস্ট কেউ বিশ্বাস করবেন না। ওরা সোশাল মিডিয়াকে মাধ্যম করে মিথ্যার বেসাতি করছে। সিপিএমের হার্মাদদের বিরুদ্ধে মানুষের জোট গড়ে যেভাবে আমরা আটকে দিয়েছিলাম। বিজেপির জল্লাদদের বিরুদ্ধেও একইরকম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আমার বিশ্বাস আমরা রাজ্যকে ওই জল্লাদের দলের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবই।
তিনি বলেন, বিজেপির আমলে দাঙ্গার দাম বেড়ে গিয়েছে। সেই কারণেই বড় বড় জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে দেশে। বিজেপির আমলে সবথেকে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। ১৪.৭ লক্ষ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি হয়েছে। টাকার দাম কমে গিয়েছে, কমে গিয়েছে জীবনের দামও। একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটছে উত্তরপ্রদেশে। রাজ্যে রাজ্যে গণপিটুনির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কে কী করবেন, কী খাবেন, কাকে সাহায্য করবেন সবকিছুই স্থির করে দিচ্ছে বিজেপি।
এখন কালিদাস নেই, এখন এক-একটা বড় বড় হরিদাস জন্ম নিয়েছে। মুখে হরি হরি করছে, আর মানুষ খুন করছে। সারা দেশে বিজেপি অঘোষিত জরুরি অবস্থা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি ছাত্র সমাবেশের মঞ্চ থেকেও বিজেপির বিরুদ্ধে গর্জে উঠে মোদী-শাহদের বিদায় ঘণ্টা বাজানোর বার্তা দেন। ছাত্র-যুবদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়াজ তুলন- '২০১৯, বিজেপি ফিনিশ।'












Click it and Unblock the Notifications