মেডিক্যাল কলেজ চত্বর অশান্ত, চলল 'গুলি'! ইভটিজিং-এর অভিযোগকে কেন্দ্র করে নামল র্যাফ
দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে (clash) রণক্ষেত্র কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (medical college) চত্বর। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। ইডেন হাসপাতাল রোডে মেডিক্যাল কলেজের ৫ নম্বর গেটের সামনে হওয়া সংঘর্ষে থামাতে পুলিশকে র্যাফ
দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে (clash) রণক্ষেত্র কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (medical college) চত্বর। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। ইডেন হাসপাতাল রোডে মেডিক্যাল কলেজের ৫ নম্বর গেটের সামনে হওয়া সংঘর্ষে থামাতে পুলিশকে র্যাফ পর্যন্ত নামাতে হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে ওঠা ইভটিজিংকে ঘিরে এই সংঘর্ষ হয়।

জড়িত শাসক ঘনিষ্ঠ নেতা
মেডিক্যাল কলেজের ৫ নম্বর গেট চত্বরে অস্থায়ী কর্মী এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের কোয়ার্টার রয়েছে। সেখানেই এদিন দুপুরে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। কোয়ার্টারের বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এলাকা দিয়ে মহিলারা হঁটে যেতে পারেন না। প্রায় সবসময়ই তাঁদের কটূক্তির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ তাঁদের। আরও অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী ইউনিয়নের নেতা অস্থায়ী কর্মী ভিকি আলি এই ঘটনায় জড়িত।

দুপুরে হট্টগোল শুরু
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে হাসপাতালের ৫ নম্বর গেটের সামনে হট্টগোল শুরু হয়। একদিক থেকে সোডার বোতল ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। শাসক ঘনিষ্ঠ নেতা ভিকিই এই হামলার নেতৃত্ব দেয় বলে অভিযোগ। কর্মী আবাসনের বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তাঁদের ঘরের সামনের রাস্তায় কাঁচের বোতল ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। সেই সময় যাঁরা কাজ সেরে ফিরছিলেন, তাঁদের ওপরেই হামলা হয়। কারও পা কেটে যায়, কারও গায়ে আঘাত লাগে। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ জনের মতো আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিনের হামলায় গুলিও চলে বলে অভিযোগ। আবাসনের বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, আবাসনে কর্তৃত্ব বাড়াতেই এলাকায় হামলা চালিয়েছে ভিকি।

পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে র্যাফ
খবর পেয়েই সেখানে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। যার নেতৃত্বে ছিলেন ডিসি সেন্ট্রাল। র্যাফও নামাতে হয়। এখনও পর্যন্ত এদিনের ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। যদিও পুলিশের দাবি সেখানে কোনও গুলি চলার প্রমাণ তাঁরা পাননি। অশান্তির জেরে পুলিশের তরফে বন্ধ করে দেওয়া হয় ৫ নম্বর গেট ছাড়াও ৩ ও ৪ নম্বর গেট। যারা হামলা চালিয়েছে তারা সবাই বাইরের বলেও অভিযোগ করেছেন আবাসনের বাসিন্দারা। তাঁদের আরও অভিযোগ, এমসিএইচকে বলেও কোনও কাজ হয়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাফাই
এদিনের সংঘর্ষের বিষয়ে হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন, বিষয়টি হাসপাতালের নয়। বাইরে তেকে দুষ্কৃতীরা এসেই ঝামেলা পাকিয়েছে। এর পিছনে হাসপাতালের কাজের কাঁচামাস সরবরাহের কোনও যোগ থাকতে পারে বলেও মনে করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে কর্মীদের তরফে অভিযোগ করা হলেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি অশান্তির কারণে নয়, প্রতি রবিবার বিকেলে নির্দিষ্ট কয়েকটি গেট বন্ধ রাখা হয়।












Click it and Unblock the Notifications