ঘূর্ণাসুর ‘তিতলি’ হার মেনে বিদায় নিয়েছে, পঞ্চমীতেই শহর কলকাতা দর্শনার্থীদের দখলে
পুজোর কলকাতা মানেই অন্যরকম, উচ্ছ্বাস-উন্মাদনায় ভরপুর। তাই পাঁজি-পুঁথি শিকেয়। কলকাতার পুজোর বোধন তো সেই তৃতীয়াতেই হয়ে গিয়েছে।
পুজোর কলকাতা মানেই অন্যরকম, উচ্ছ্বাস-উন্মাদনায় ভরপুর। তাই পাঁজি-পুঁথি শিকেয়। কলকাতার পুজোর বোধন তো সেই তৃতীয়াতেই হয়ে গিয়েছে। তৃতীয় থেকে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে যে জনজোয়ার নেমেছিল, মহাপঞ্চমীর রাতে তা রূপ নিল জনসমুদ্রে। প্রতিটি পুজো প্যান্ডেলেই থিক থিক করছেন দর্শনার্থী। শুরু হয়ে গেল বাঙালির মহোৎসব।

এ ব্যাপারে আবার অগ্রণী শ্রীভূমি। মুখ্যমন্ত্রী মহালয়ার আগেই উদ্বোধন করেছিলেন এই পুজোর। তখন থেকেই প্রতিদিন ভিড় জমছে পুজো মণ্ডপে। আর আপামর বাঙালি অপেক্ষা না করেই তৃতীয় থেকেই শুরু করে দেয় দেবীদর্শনে। তবে মাঝে একটু সুর কেটে যায় তিতলির প্রভাবে।
তবে দেবীর বোধন লগ্ন সমাগত হতে না হতেই পরাস্ত ঘূর্ণাসুর। হাওয়া হয়ে গেল তিতলি। রবিবার মহাপঞ্চমীর দিনে তাই আনন্দ-লহরী উপচে পড়ল শহর কলকাতায়। এক দেবী দুর্গার দর্শন, আর দুই তিতলির বিদায়। উৎসব মুখর শহর। উত্তর থেকে দক্ষিণ- রাত যত বাড়ছে, ততই জনজোয়ার বেড়েছে। পঞ্চমীর রাত নাকি অষ্টমীর রাত, তা বোঝা শক্ত।

বাঙালির পুজো উন্মাদনের কাছে ঘূর্ণাসুরও পরাজিত হয়েছে। তাই তো সকাল থেকেই রৌদ্রোজ্জল আকাশ। নীলিমায় নীলের দেখা মিলতেই উৎসবপ্রেমী আর ঘরবন্দি নেই, বেরিয়ে পড়েছেন ঠাকুর দর্শনে। মা যে এসে গিয়েছেন বেলতলায়। আর একটা দিল পরেই একেবারে মৃন্ময়ীরূপে আবির্ভূতা হবেন চিন্ময়ী।
আবহাওয়া দফতরও খুশির খবর দিয়েছে। পূর্বাভাস, দশমীর মধ্যে আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই এই কটা দিন আনন্দ আর আনন্দ। আর কোনও পিছুডাক নয়, পঞ্চমীর সন্ধ্যাই সেই বার্তা দিচ্ছে। কলকাতার রাস্তায় দখল নিয়েছেন দর্শনার্থীরা। পুলিশও তটস্থ নিরাপত্তার কাজে। দু-লক্ষাধিক পুলিশ নামানো হয়েছে কলকাতার রাস্তায়।












Click it and Unblock the Notifications