RG Kar Hospital:সকালেই আরজি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কী কথা বললেন CISF-র ডিজি
কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গেল আরজি কর হাসপাতালে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সকালেই হাসপাতালে পৌঁছে যান সিআইএসএফের ডিজি এবং এসপি। তাঁরা সেখানকার কর্তব্যরত কলকাতা পুলিশের আধিকারীকদের সঙ্গে কথা বলন। ঘুরে দেখেন হাসপাতালের বিভিন্ন এলাকা। গতকাল সুপ্রিম কোর্ট আরজি কর হাসপাতালের নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে। রাজ্য পুলিশের চরম ব্যর্থকার কথা বলেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
গতকাল সুপ্রিম কোর্টে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকরে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধান বিচারপতি। হাসপাতালের ভেতরে কেন চিকিৎসকদের জন্য বিশ্রামের ঘর ছিল না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকী এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও।

১৪ অগাস্ট মহিলাদের রাত দখলের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সময় কীভাবে আরজির কর হাসপাতালে ৭ হাজার লোক হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়লেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি প্রশ্ন করেন কেন আগে থেকে কেন পুলিশের কাছে কবর ছিল না। রাজ্যের আইন শঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রধান বিচারপতিই। তার পরেই প্রধান বিচারপতি আরজি কর হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।
আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক এবং নার্সরা সেই ঘটনার পরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের কোনও নিরাপত্তা দিতে পারেননি। উল্টে তাঁদের কাছেই পুলিশ সেদিন আশ্রয় চেয়েছিল বলে প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন হাসপাতালে নার্সরা। কীভাবে হঠাৎ করে এতোজন লোক হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে প়ড়ল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রধান বিচারপতির। কেন পুলিশের কাছে আগে থেকে খবর ছিল না।
তারপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরজি কর হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও তাতে প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু সেই আপত্তি ধোপে টেকেনি। আরজি কর হাসপাতালে আন্দোলনরত চিকিৎসকরা বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী কতোদিন তাঁদের নিরাপত্তা দেবে। বাহিনী চলে গেলে আবার তো আগের পরিস্থিতি তৈরি হবে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চান তাঁরা।
আরজি কর হাসপাতাল যে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের ডেরায় পরিণত হয়েছিল। এবং তাতে যে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের প্রত্যক্ষ মদত ছিল সেই অভিযোগ বারবার করেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। হাসপাতালের ভেতরে একাধিক দুর্নীতি এবং বেআইনি কারকর্ম চালাতেন সন্দীপ ঘোষ। সুপ্রিম কোর্ট সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন তরুণী চিকিৎসককে মৃত্যুর ঘটনার পরেও সেটাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হল। কেন রাতে গিয়ে এফআইআর করা হলে প্রশ্ন করেছিলেন প্রধান বিচারপতি।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications